
বেবি চক্রবর্তী :- সোমবার কলকাতায় বউবাজার স্থিত লীলা রায় সভাগৃহে কোজাগরী প্রকাশনীর তত্ত্বাবধানে বাৎসরিক পত্রিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এদিন গুণীজন সম্মাননা সহ একাধিক বইয়ের সম্মিলিত আত্মপ্রকাশ। বর্তমান সমাজের রূপরেখা অলংকারণে জাত- পাতের সংকীর্ণতার উর্ধে মানবিকতা চেতনার মূল্যবোধ রবীন্দ্র – নজরুল জন্ম জয়ন্তী বই প্রকাশের সহিত সাহিত্যের সাংস্কৃতি অনুষ্ঠানের মধ্যে পালিত হয়। এই পত্রিকা সম্পাদিকা অভিষিক্তা দে এবং দিপালী মোদক, সভাপতি নবগোপাল চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টা আরণ্যক বসু – উপদেষ্টা মন্ডলী ডঃ রমলা মুখার্জী, বিকাশ সাহু, অদিতি সেনগুপ্ত, শঙ্খ শুভ্র চট্টোপাধ্যায় সুনিত, সৌমেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, সহযোগিতায় মধুমিতা মজুমদার প্রমুখ। এই পত্রিকার সম্পাদিকা দিপালী মোদক বলেন যে, ” কোজাগরী প্রকাশনীর অনন্য প্রয়াস অব্যাহত। নবজাগরণের এক সুন্দর নিবেদন। বিভিন্ন গুণীজনাদের কলমের স্পর্শে জেগে উঠেছে প্রেম অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি সমাজ কল্যাণ বিষয়ক জ্ঞানের আলো, আছে দূর্লভ কল্পনার রাজ্যে রঙ- তুলির টানে ভেসে চলা শিশুমন অনিঃশেষ। সম্পাদিকা অভিষিক্তা দে বলেন যে, সাহিত্য মানুষের অনুভব চেতনার এক অনন্ত দর্পন সেই বহমান ধারা নিরলস সাধনা দিয়ে কাজ করে চলেছে কোজাগরী প্রকাশনী। এটি তৃতীয় বর্ষের ষষ্ঠ নিবেদন। প্রায় ১৫০ জন আমন্ত্রিত কবি – লেখক- লেখিকাদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান হয়। আনুমানিক ২২ টি সংকলন একক – সম্মিলিত আলাদা ভাবেই এই দুই ধরণের বিভিন্ন বিষয়ের ওপর সংকলন প্রকাশিত হয়। এছাড়াও আমাদের প্রকাশনীর সংকল্প প্রয়াস ‘ যন্ত্রমুখী স্রোতের প্রবাহে ভেসে চলা সমাজের বুকে, সাহিত্য চেতনার উন্মেষ ঘটানো। তাঁদের বই – মুখী করে তোলা। আসানসোল থেকে আগত কবি – সাহিত্যেক গুণীজনদের মধ্যে রত্না ব্যানার্জী – মলয় রায় – রবীন্দ্রনাথ নন্দী – সান্ত্বনা ঘোষ মন্তব্য করেন যে, ” এটি মহামিলনের কবি সম্মেলন ” – কেবল একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি হৃদয়ের সঙ্গে হৃদয়ের – সৃষ্টির সঙ্গে সৃষ্টিশীলতার এক আত্মিক সেতুবন্ধন। সাহিত্য ও সাংস্কৃতির এই সমবেত আনন্দযজ্ঞে সৌন্দর্যবোধ ও ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ। সৃজনশীল সাহিত্য চর্চার প্রতিবাদী কলমের ঐক্যবোধ আসানসোল – এর সংস্কৃতির এক অভাবনীয় প্রকাশ। সহিত্যিক দিলীপ রায় – সাহিত্যিক আরণ্যক বসু – গৌতম দাস – ডাঃ অশোক কুমার সাহা – নবগোপাল চৌধুরী – তপন পাল – প্রদীপ মিশ্র – এদিন বলেন যে, ” সকাল সাহিত্যপ্রেমী, কবি, লেখক, শিল্পী শুভানুধ্যায়ীদের আন্তরিক হৃদ্যতা – শুভকামনা। সকলের সাহিত্য কামনা শুভ হোক। সৃজনের আলোতে উদ্ভাসিত হোক আগামীদিন। ” বাংলা সাহিত্যের সৃজনশীল সৃজন নিরলস কলম প্রতিবাদে জাগরিত হোক হৃদয়ে। আজকের সমাজের চেতনার মানবিকতা উদ্ভাসিত হোক এই যান্ত্রিক আধুনিকতায়।