
নওগাঁ মান্দা উপজেলার এলজিডি কার্য সহকারী মো: আব্দুর রশিদের গত অক্টোবর/২৪ মাসে,বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলায় বদলির অর্ডার হওয়ার পরেও , এখনো স্বপদে বহাল অবস্থায়, চাকরি করে যাচ্ছে বর্তমান উপজেলায় তিনি বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি ও টাকা আত্মসাৎ এর মত ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে তারপরও কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না,মান্দা উপজেলা প্রকৌশলী সুমন মাহমুদ।
এমনকি এলসিএস মহিলাদের একসঙ্গে চার মাসের বেতন ভাতা দেওয়ার সময় টাকা কেটে নেওয়ারও ঘটনা ঘটিয়েছে এই আব্দুর রশিদ। এ বিষয়ে প্রতিবাদ করলে এলসিএস মাটিকাটা মহিলাদের বিভিন্ন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার কারণে প্রায় ৯০ জন মহিলা আব্দুর রশিদের বিরুদ্ধে মান্দা উপজেলা এলজিইডি সহ এলজিইডি’র অতিরিক্ত চিফ রাজশাহী বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন,
এ বিষয়ে অভিযোগকারীদের সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন।
জুলাই/২০২৪ হতে অক্টোবর/২০২৪ পর্যন্ত চার মাসের মাসিক বেতন প্রদানের সময় অনৈতিকভাবে প্রতিমাসে ১১০/- টাকা করিয়া কেটে নেন। আমরা জিজ্ঞাসা করিলে বলে যে দিতে হবে। দিতে না চাইলে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। বেতন পেতে দেরি হলে আমরা যদি ফোন দিই অকথ্য ভাষায় আপত্তিকর গালিগালাজ করে। কোনো কোনো মহিলার নিকট হতে ১১০/- টাকার অতিরিক্ত টাকা জোর পূর্বক আদায় করে। প্রতিবাদ করলে কাজ হতে বাদ দেওয়ার হুমকি দেয়। মোছাঃ এলজান, এলসিএস মহিলা তাকে দিয়ে মোঃ শাহিনুর, উপসহকারী প্রকৌশলী-এর বাসায় রান্নাবাড়ির কাজ করায়ে নেন। মোঃ মুনসুর রহমান, কার্য-সহকারী এর বাসায় বাসাবাড়ি পরিষ্কার ও খোয়া ভাঙ্গা কাজ করায়ে নেন। ইতিপূর্বে মহিলারা যেসব রাস্তায় কাজ করতো বর্তমানে সেই রাস্তা থেকে ১০-১৫ কি.মি দূরে প্রতিদিন কাজ করায়ে নেয়। তাতে আমাদের মাসে বেতনের চেয়ে অতিরিক্ত টাকা খরচ হয়। শ্রীমতি বানী এবং শ্রীমতি সুজিতা এই দুইজনের নিকট হতে ৪ মাসে মতিউরের মাধ্যমে ১২,০০০/- টাকা নিয়েছে। এটা নিয়ে অভিযোগ করিলে সরাসরি চাকরি থেকে বাদ দেওয়ার হুমকি দেয়। সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর মাসের বেতন। প্রদানের সময় প্রতি মাসে ১০০/- টাকা করিয়া ২ মাসে ২০০/- টাকা আরাফাতের নিকট জমা দিতে বলে। আমরা নিরুপায় হয়ে টাকা প্রদান করি। অথচ গত অর্থবছরে আগের উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার থাকতে আমাদেরকে কোনো টাকা-পয়সা দিতে হয়নি। মোঃ আব্দুর রশিদ, কার্য-সহকারীর অনেক আগে বদলির আদেশ হয়েছে, অথচ সে এখান থেকে যেতে চায় না। থাকার জন্য সব সময় তদবির করতেছে। মোঃ শাহিনুর, মোঃ মুনসুর এবং মোঃ আব্দুর রশিদ এলজিইডি, মান্দা অফিসে এদের কথামত অফিসের সকল স্টাফকে চলতে হয়। ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায়না। এরা একটা সিন্ডিকেট। এদের এই উপজেলা হতে অপসারন জরুরী। তা না হলে এলজিইডি-মান্দা অফিসের ভারমুর্তি ক্ষুন্ন হতেই থাকবে। এই তিন সিন্ডিকেটের কারনে ইতিপূর্বে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে আগের উপজেলা ইঞ্জিনিয়ারকে ষড়যন্ত্র করে বদলি করেছে। মোঃ শাহিনুর-কে স্বাক্ষর জালিয়াতির কারনে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, রাজশাহী ৩-৪ মাস আগে পাবনা জেলায় বদলি করেছিল। পরে আবার তদবির করে মান্দায় এসেছে। সে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার-কে বাইপাস করে টিএনও-র সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করিয়া ইঞ্জিনিয়ারকে চাপে রাখে। বর্তমানে কয়েকজন এলসিএস কর্মীর বেতন বন্ধ রেখেছে এবং তাদেরকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা এলজিদের নির্বাহী কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বিষয়টি আমি জানি আগামী ৭ দিনের মধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।