
তাসলিমা রত্না, ময়মনসিংহ
ময়মনসিংহের গৌরীপুরে নির্বাচনোত্তর সহিংসতায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর ঘোড়া প্রতিকের সমর্থক বয়োবৃদ্ধ মান্নানকে ধানের শীষের কর্মী শাহীমুন্সী গংরা মাথা ন্যাড়া, মানুষিক নির্যাতন করে অপদস্ত করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীগণ।
জানা যায়-ময়মনসিংহের গৌরীপুরে নির্বাচন পরবর্তী স্বতন্ত্র প্রার্থীর লোকজন কে অত্যাচার, জুলুম, নির্যাতন, বাড়ি ঘর ভাংচুর ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে যাচ্ছে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
সাংবাদিক সম্মেলনে ভুক্তভোগী আব্দুল মান্নান সহ বিএনপি নেতারা বলেন, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার ইকবাল হোসেন (এম পি) তার বক্তব্যে গৌরীপুর থেকে সন্ত্রাস ও চাদাবাজ নির্মূলের ঘোষনা দেন, অথচ তার সাথে থাকে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও নির্যাতনকারী।
আব্দুল মান্নান বলেন, আমাকে গত (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গৌরীপুর বাসষ্ট্যান্ডে আমার সিএনজি আটক করে আমাকে নামিয়ে কিল ঘুষিসহ মাথার চুল, চোখের ভ্রু কেটে পরিস্কার করে আমার শরীরের বিভিন্ন অংশে নীলা ফোলা জখম করে আমাকে অপমান অপদস্ত করে মারতে মারতে তাড়িয়ে দেয়।
মান্নান তালুকদার বাদী গৌরীপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। এনিয়ে গৌরীপুর চলছে আলোচনা সমালোচনার ঝড়।
অভিজ্ঞ মহল মনে করেন এ বিষয়ে বিএনপি’র হাই কমান্ডের দ্রুত নজরদারী প্রয়োজন।
এছাড়াও উপজেলার সিধরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামছুদ্দিন এর নেতৃত্বে (১৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে হামলা চালানো হয়।
(১২ ফেব্রুয়ারি) রাতে এমদাদ ও খোকনের বাড়ীতে হামলা চালিয়ে সন্ত্রাসী তান্ডব চালানো হয়।
(১৩ ফেব্রুযারি) রাকিবের নেতৃত্বে ঘর বাড়ি ভাংচুর, লুটপাট করে বাড়ির মহিলাদের লাঞ্ছিত করে।
(১৪ ফেব্রুয়ারি) খোকন ও এমদাদের নেতৃত্বে মোজাম্মেল ও রিপনকে মারধর ও বাড়িতে হামলা চালায়।
(১২ ফেব্রুয়ারি) পাইস্কা গ্রামে উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মনিরুজ্জামান মানিক এর নেতৃত্বে আব্দুল হামিদ এর বাড়িতে ভাংচুর ও লুট পাট করা হয়।
(১৩ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিনে নতুন বাজারস্থা ঘোড়া প্রতীকের কর্মী আনোয়ার হোসেন আনুকে ধানের শীষের কর্মী সেন্টু মিয়া মারধর করে রাতের মধ্যে গৌরীপুর ছেড়ে চলে যেতে বলে।