1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিচ্ছেন সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইকারী শনাক্ত, গ্রেপ্তারের চেষ্টা দিরাইয়ে প্রবাসীর কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সৎ ভাই-বোনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে  মামলা সাতক্ষীরা জেলা সহ খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যাক জেলার দ্বায়িত্ব এখন এনসিপির প্রথম নারী সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরার কাঁধে। হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪

আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিচ্ছেন সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা

জুবায়ের আহমেদ (সাত কলেজ প্রতিনিধি)
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ মে, ২০২৫
  • ৭৩১ বার পঠিত

জুবায়ের আহমেদ (সাত কলেজ প্রতিনিধি)

বৃহস্পতিবার (২২মে) আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নিচ্ছেন রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত সরকারি বাঙলা কলেজের সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক সাবিহা সুলতানা। দীর্ঘ ৩১ বছর ৪ মাস সৎ, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও ভালোবাসার সঙ্গে শিক্ষকতা করে তিনি আজ অবসরে যাচ্ছেন। এই দীর্ঘ পথচলায় ছড়িয়ে রয়েছে অসংখ্য স্মৃতি, ভালোবাসা, সাফল্য এবং অসংখ্য প্রিয় মুখ।

পেশাগত যাত্রার শুরু কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে।
কুমিল্লা শহরে জন্ম ও বেড়ে ওঠা অধ্যাপক সাবিহা সুলতানার শিক্ষকতা জীবনের সূচনা হয় কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজে। সেখানে ১০ বছর তিনি দায়িত্ব পালন করেন। ছিলেন কালচারাল কমিটির সদস্য এবং দুই বছর হোস্টেল সুপার। শিক্ষার্থীদের কাছে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রিয় শিক্ষক, যাঁর প্রতি সবার ছিল অকৃত্রিম শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।

ইডেন কলেজ ও ধামরাই সরকারি কলেজে সাফল্যময় সময়
পরে বদলি হয়ে তিনি ইডেন কলেজে যোগ দেন, যেখানে প্রায় ৫ বছর শিক্ষকতা করেন। এরপর সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ধামরাই সরকারি কলেজে ১ বছর ২ মাস কাজ করেন। সেখানে শিক্ষক পরিষদের জয়েন্ট সেক্রেটারি এবং কালচারাল কমিটির সদস্য ছিলেন। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষকতার পাশাপাশি সৃজনশীল ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

ধারাবাহিকভাবে সরকারি বাঙলা কলেজে দীর্ঘতম সময়
২০১০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তিনি সরকারি বাঙলা কলেজে যোগ দেন এবং এখানে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করে গেছেন। এই কলেজেই তিনি সহযোগী অধ্যাপক, স্পোর্টস কমিটি সদস্য এবং সাহিত্য সাময়িকী ম্যাগাজিনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তিনি সমাজকর্ম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

একজন শিক্ষক: অনুপ্রেরণার নাম বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকেই তিনি ছিলেন ডিবেটার ও মঞ্চকর্মী। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিয়েছেন বিতর্ক, উপস্থাপনা, নাটক ও সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছাত্রদের মানসিক বিকাশের জন্য সবসময় কাজ করে গেছেন তিনি।

পারিবারিক সফলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
তাঁর পারিবারিক জীবনও সমানভাবে সফল। একমাত্র ছেলে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর স্কোয়াড লিডার, বড় মেয়ে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছে এবং ছোট মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে চলেছে। স্বামী একজন ইঞ্জিনিয়ার, ২০১৮ সালে অবসর নিয়েছেন।

তিনি জানান, “অবসরে গিয়েও আমি লেখালেখি ও ভ্রমণ চালিয়ে যাব। শিক্ষার্থীদের প্রতি আমার স্নেহ, দোয়া ও ভালোবাসা সবসময় থাকবে। আমি যেন সুস্থ থাকি, সক্রিয় থাকি এটাই চাই। আমি যদি কারও জীবনে সামান্য কিছু অবদান রাখতে পারি, সেটিই হবে আমার বড় প্রাপ্তি।”

পরিশেষে সবার উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,
“আমি মনে করি, জীবনের তিনটি বড় সাফল্য—সুস্থতা, সম্মান, এবং অর্জন আমি তা পেয়েছি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো, আমাকে দোয়ায় রাখবেন, প্রার্থনায় রাখবেন। ভালোবাসার মধ্যেই যেন আমি ফিরে ফিরে আসতে পারি আপনাদের হৃদয়ে।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park