
টেকনাফ প্রতিনিধি//
কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে মাদক কারবারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন হোয়াইক্যং ইউনিয়নের শাহ আলম মেম্বার ও তার ভাই শহিদুল্লাহ।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার দাবি, সীমান্তপথে মিয়ানমার থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক দেশে প্রবেশের পর তা দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহের সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত। ওই চক্রের সঙ্গে শাহ আলম মেম্বার ও শহিদুল্লাহর যোগাযোগ রয়েছে বলেও তারা অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগকারীদের দাবি, সীমান্তের দুর্গম পথ ব্যবহার করে মাদক আনার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দিতে একাধিক ধাপে একটি সরবরাহ নেটওয়ার্ক কাজ করছে। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে কোনো স্বাধীন বা সরকারি তদন্তের তথ্য প্রতিবেদকের হাতে পাওয়া যায়নি।
রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও অভিযোগ
মাদক কারবারের অভিযোগের পাশাপাশি শাহ আলম মেম্বার ও শহিদুল্লাহর রাজনৈতিক যোগাযোগ নিয়েও স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা রয়েছে। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত কয়েকজন ব্যক্তির সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন সময় গোপন বৈঠক এবং সরকারবিরোধী অপপ্রচার বা ষড়যন্ত্রের পরিকল্পনা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ। তবে এসব বৈঠক আদৌ অনুষ্ঠিত হয়েছে কি না কিংবা সেখানে কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা হয়েছে কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি
স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় না নিয়ে মাদক কারবারের অভিযোগগুলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা হোক।
তাদের মতে, সীমান্ত দিয়ে মাদক প্রবেশের উৎস, পরিবহনকারী, মজুতকারী, অর্থদাতা ও দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে শাহ আলম মেম্বার ও শহিদুল্লাহর বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা যথাযথভাবে প্রতিবেদনে সংযোজন করা হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, অভিযোগগুলো তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।