
এম মনিরুল ইসলাম,বুড়িগোয়ালিনী।
পুনরায় জাগরিত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে প্রতিবন্ধী ও পথ শিশুরা চরম অবহেলায় দিনাতিপাত করে চলেছে। তথ্য অনুসন্ধান পূর্বক প্রকাশ,এক যুগের ও অধিক সময় স্বৈরাচার নিয়ন্ত্রিত দেশে শহর ও গ্রামের অলিতে গলিতে বাক প্রতিবন্ধী ও পথশিশু(টোকাই) মারাত্মক অবহেলা ও নির্যাতনের শিকার।তাদের জীবন যাপন ভাসমান কচুরিপনার মত। মনে হয় কেউ নেই, কিছু নেই।বাংলাদেশ স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশ।যেখানে সর্বজন বিদিত জনগণের সমন্বয়ে, নিয়ন্ত্রিত সরকার ব্যবস্থা।নানামুখী উন্নয়নমুখর কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন হলেও চরম অবহেলা ও টলমলে জীবনযাপন করে তারা।ঘর নেই বাড়ি নেই। রাস্তা তাদের ঠিকানা।বিশেষ করে শহরের বিভিন্ন স্থানে দেখা মেলে এই অসহায় মানুষগুলোর।ক্ষুধার তাড়নায় সারাদিন পথে পথে ঘুরে জীবন কাটে তাদের। নতুনভাবে সংস্কৃত বাংলাদেশে এই অসহায় মস্তিষ্ক বিকৃত মানুষগুলো সমাজ থেকে ছিটকে পড়েছে। অনেকটা সমাজ বিচ্যুত মানুষের মত জীবন যাপন এদের।যেখানে রাত সেখানেই কাত। গ্রামাঞ্চলে বেশ স্বস্তিতে দিন কাটে তাদের।শহরে পোহাতে হয় বিভিন্ন বিপদজনক,যন্ত্রণাদায়ক জীবন। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়ায় এরা। কেউ কিছু খেতে দিলে খাওয়া হয়। না হলে পানি খেয়ে সামান্য খাবারে জীবন চলে যায় কোন ভাবে। এরকমই এক বাক প্রতিবন্ধী মহিলার দেখা মেলে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার পল্লীতে। গতকাল উপকূলীয় অঞ্চল খ্যাত বুড়িগোয়ালিনীতে দেখা মেলে এই অসহায় নারীর। নাম ঠিকানা কিছুই জানেনা।ছবিটি থেকে প্রতীয়মান হয়, কত সরল অবলা জীবন যাপন করে তারা। মন মাঝি তোর বৈঠা নেরে, আমি আর বাইতে পারলাম না চরণদ্বয়ের মতই ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি উঠেছে এই নারীর জীবনে।নতুনভাবে উন্মোচিত দেশে সকল মস্তিষ্ক বিকৃত প্রতিবন্ধী ও অসংখ্য পথ শিশুদের পুনর্বাসন অত্যন্ত জরুরি। বন্যা জলোচ্ছ্বাসে সাধারণ মানুষের জীবন যাপন ক্ষতিগ্রস্ত হলে, সমাজের বিত্তবান সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। কিন্তু রাস্তায় যাদের বাড়িঘর। অবহেলা লাঞ্ছনা যাদের নিত্য সঙ্গী।তাদের দেখার কেউ নেই। বড় অসহায় এরা।পৃথিবীতে নিদারুণ অসহায় জীবন যাপন এদের। অবিলম্বে এই অবহেলিত নির্যাতিত সহজ সরল মানুষদের পুনর্বাসনে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। হয়তো বেঁচে যেতে পারে,একটু শান্তিতে বাঁচতে পারে কিছু নিষ্পাপ জীবন। পথ শিশুদের স্বাভাবিক জীবন যাপন ও তদারকি করলে অসম্ভব মেধা ও প্রতিভা বেরিয়ে আসতে পারে। যা কিনা দেশ ও দশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে সক্ষম।