1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়! - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৮৫ বার পঠিত

মো ইয়াকুব আলী তালুকদার, স্টাফ রিপোর্টার

বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত ১- ১২ তম শিক্ষক নিবন্ধিত নিয়োগ বঞ্চিত হয়ে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে মানবেতর জীবন অতিবাহিত করছেন। শুধু থেকে এপর্যন্ত বিভিন্ন সময় নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন, সংগ্রাম, মানববন্ধন, আদালতে মামলা, রিট, স্মারকলিপি প্রদান, অনশন এবং এনটিআরসিএ এর কর্মকর্তা ও সরকার দলীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের সাথে যোগাযোগ করেছেন। কোন কিছু বাদ রাখেননি তারা তবুও তারা এখনো নিয়োগ থেকে বঞ্চিত। কিন্তু কেন? সারা দেশে ৬০ হাজার থেকে ১ লাখ জাল সনদে চাকরি করলেও বৈধ সনদধারীরা এখনো বঞ্চিত। ১৭ বছর ন্যায়বিচারহীনতায় দলীয়করণ, কোটা, দুর্নীতি আর জাল সনদের নিয়োগবানিজ্য করার কারণে বৈধ সনদধারী ১-১২তম নিবন্ধিত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের নিয়োগ দেয়নি আবার ১৭ বছর চলার পথ সুগম করেছে সচিবালয়ের সেই পুরোণ দুর্নীতিবাজ আমলারাই।

সনদের মেয়াদ আজীবন সংক্রান্ত রাষ্ট্রপতির গেজেট, ২০০৫ এর আইনে পরিপত্র, সর্বশেষ ১–১২তম কন্টেম্ট মামলার নিয়োগ আদেশ কোনোটিই বাস্তবায়ন করেনি দুর্নীতিবাজ সরকার। ১-১২ তমদের বাদ দেবার পরিকল্পনা হিসেবে তারা ৩৫ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করলেও সেখানেও আপিলবিভাগে হেরে যায় NTRCA ২০১৮ সালের পূর্বে পাশকৃর্ত ১-১২ তমদের নিয়োগের ক্ষেত্রে ৩৫ বছর সীমা প্রযোজ্য নয় সেই রায় দেন সুপ্রিম কোর্ট। কিন্তু কোনো কিছুতেই একটি দুর্নীবাজ ও কুচক্রী মহল আমলা সবসময় ১-১২ তমের নিয়োগ ঠেকাতে মরিয়া হয়ে লেগে থাকে।

সেই ভন্ড আমলারাই বর্তমান সরকারের নির্বাচনের পূর্বের নিয়োগ প্রতিশ্রুতি ঠেকাতে ভুলভাল তথ্য দিয়ে নির্বাহী আদেশ ঠেকাচ্ছেন। নির্বাহী আদেশ সরকারের প্রয়োজন সংক্রান্ত আদেশ এখানে মামলার অযুহাত যে সচিব মিটিং এ তুলেছেন তারাই ১৭ বছর জাল সনদ আর নিয়োগ জালিয়াতির সাথে জড়িত। ১-১২ তমদের নিয়োগ দেওয়া হলে দূর্নীতির রাখবোয়াল হিসেবে তারা ধরা পড়ে যাবে।

নিয়োগ আটকিয়ে দিচ্ছে আবারও সেই পুরান আমলারা আর ১-১২ তম নেতারা আছে বিচ্ছিন্ন গ্রুপে বিভক্ত। এভাবে যতই তদবির হউক যতই প্রধানমন্ত্রীর স্ব সাক্ষাত নেন কেউই সফল হবেনা। দরকার বৃহৎ পরিসরের সমন্বয় ও করনীয় আলোচনা নয়ত মামলার অযুহাতে কখনই নিয়োগ হবেনা। আর মামলা তুলে হেয়ারিং করাবেন সেই কুচক্রী গোষ্ঠী মামলার সবকিছু ১-১২ তমের পক্ষে থাকলেও তদবিরে মামলাকে হারাবে।

যা ইতোপূর্বে ঘটেছে, ১-১২ তমকে ১৩তম ব্যাচ বানিয়ে কন্টেম্ট মামলার নিয়োগ আদেশের রায় খারিজ করেছে। পরবর্তীতে কোর্টে মামলা পুনরায় তোলা হলে কোর্ট ভুল হয়েছে স্বাীকার করেও আপসোস ছাড়া কিছুই দেয়নি।

২০১৬ সালে ১-১২ তমের ঐক্যবদ্ধ বৃহৎ আন্দোলন ও ২০১৭ সালে মামলার রায়ের ফলাফল সম্মিলিত মেধাতালিকা প্রকাশ করতে রায় দেন আদালত ও NTRCA মেধাতালিকা করতে বাধ্য হয়।
২০১৮ সালে ১৩তমরা ঐক্যবদ্ধ ছিলো বলেই ২২০৭জন কোর্টের মাধ্যমে নিয়োগ পান। ২০০ দিনের আন্দোলন ব্যাপক সাড়া তুললেও আগে মাঠ ছাড়ায় প্রতিশ্রুতি পর্যন্ত গিয়েছিলেন মাত্র সফল হয়নি।

অন্তবর্তী সরকারের সময়ও ব্যাপক আন্দোলন আশা জাগিয়েছিলো অনেকে আহত হয়েছিলো কিন্তু প্রাইমারিরা সে আন্দোলনকে নিজেদের ছাপিয়ে ফলাফল তারা নিয়েছে। তদবির আসলে কোনো কাজে দেয়নি, তদবির তখনই কাজে দেয় যখন তারা লাভবান হয়। কোর্টে বারবার হেয়ারিং রায় পক্ষে থাকলেও চুড়ান্ত নিয়োগ আদেশ দেয়নি, প্রতিপক্ষের ভুল তথ্যে কোর্ট তাদের হয়ে রায় দিয়েছে।

আসলে করনীয় কি সবাই জানে কিন্তু ৯০% ই ঘরে বসেই ফাও চাকরি চায়। ঐক্যবদ্ধ করনীয় ও উপস্থিতি কখনই হয়না। শুধুমাত্র প্রকৃত নিয়োগবঞ্চিত শিক্ষকদের মহাসমাবেশ ও তালিকা দরকার ছিলো এই সরকারের শুরুতেই। তখন সর্বোচ্চ ৫ হাজার নিয়োগবঞ্চিত আসতো আর যারা আসেনা তারা কখনই নিয়োগবঞ্চিত নয় সেটা জানান দেয়া যেতো সরকারকে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park