1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা গুঞ্জন, আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

দুর্গাপুর পৌরসভা নির্বাচন ঘিরে চলছে নানা গুঞ্জন, আলোচনায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

মোঃ তরিকুল ইসলাম দুর্গাপুর (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৩৯ বার পঠিত

মোঃ তরিকুল ইসলাম
দুর্গাপুর (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

নেত্রকোনার সীমান্তবর্তী দুর্গাপুর উপজেলা। এই উপজেলাকে নান্দনিক রুপদিতে এবং প্রশাসনিক ভাবে একধাপ এগিয়ে নিতে ১৯৯৪ সনে স্থাপিত হয় দুর্গাপুর পৌরসভা। নানা ভাবে পৌরসভার উন্নয়ন হলেও আধুনিক পৌরসভা হিসেবে এখনো রুপদান করতে পারেননি এযাবৎকাল দায়িত্বে থাকা মেয়র ও প্রশাসকগণ।

ইতোমধ্যে ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালায় প্রয়োজনীয় সংশোধন আনা হয়েছে এবং স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন স্তরের নির্বাচনের জন্য পৃথক রোডম্যাপ প্রণয়নের কাজ চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগস্টের দ্বিতীয়ার্ধে তফসিল ঘোষণা করে অক্টোবরের প্রথমার্ধে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশন নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায়ও স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে চলছে নানা পর্যালোচনা।

দুর্গাপুর পৌরশহরের বিভিন্ন হাট-বাজার তথা অফিস পাড়াতে চলছে নানা গুঞ্জন। কে হবেন এই পৌরসভার মেয়র। কে ধরবেন হাল ? কেমন মেয়র চান সাধারণ মানুষ, এনিয়ে শুরু হয়েগেছে নানা জল্পনা-কল্পনা। এরই মাঝে ২০১৬ সনে দুর্গাপুর পৌরসভাকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে উন্নীত করা হলেও পরিকল্পনা ও পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাবে এখনো পিছিয়ে রয়েছে অনেক কাজ।

৯টি ওয়ার্ডের প্রায় ২২ হাজার ভোটারদের মনজয় করার এই যুদ্ধ চলতি বছরের আগামী অক্টোবর মাস থেকেই শুরু হয়ে যাবে। চিরাচরিত নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের মাধ্যমে কেউ একজন নির্বাচিত হবেন পৌর মেয়র। নগর-পিতার চেয়ারে কাকে বসাবেন, দুর্গাপুরের মানুষের কাছে সেটাই এখন ভাবনার বিষয়।

দুর্গাপুর পৌরসভাকে একটি আধুনিক পৌরসভা হিসেবে গড়ে তুলতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আধুনিকীকরণ, যানজটমুক্ত শহর, পরিকল্পিত সড়ক নির্মান, বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা এবং সকলপ্রকার নাগরিক সেবা ডিজিটালাইজ করা প্রয়োজন। কিন্ত এর কোনটাই দৃশ্যমান হয়নি। পৌরসভার ভিতর দিয়ে বয়ে চলা নদী-খাল গুলো খনন করে দূষনমুক্ত করা প্রয়োজন। ড্রেনগুলো আবর্জনায় ভরে গেছে, ফলে এগুলো দিয়ে ঠিকভাবে পানি নিষ্কাশন না হওয়ার কারণে অল্প বৃষ্টিতে রাস্তায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

পৌর এলাকার বিভিন্ন ওয়ার্ডের একাধিক ভোটারগণ জানান, পৌর এলাকার এসব সমস্যা সমাধানে যোগ্য ব্যক্তিকেই আমরা মেয়র হিসেবে দেখতে চাই। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে ইতোমধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সম্ভাব্য প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণাও চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন শ্রেনী-পেশার মানুষ।

স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই নির্বাচন শুধু পৌর প্রশাসনের নেতৃত্ব নির্ধারণের বিষয় নয়; বরং এটি তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাংগঠনিক শক্তি, জনপ্রিয়তা ও জনসমর্থনেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা। উন্নয়ন, সুশাসন, জবাবদিহিতা, পরিচ্ছন্ন নগর ব্যবস্থাপনা, সড়ক ও ড্রেনেজ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা এবং কর্মসংস্থান এবার ভোটের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে। স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার, মোঃ আতাউর রহমান ফরিদ ও শুভেন্দু সরকার পিন্টু এর নাম ভোটারদের আলোচনায় রয়েছে।

পৌরএলাকার সাধারণ ও তরণ ভোটারগন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন মাস্টার দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি দলের দুঃসময়ে ২০১৫ ও ২০২২ সালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে দুর্গাপুর পৌরসভার মেয়র পদে নির্বাচন করেন। দলীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন, নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ এবং বিভিন্ন সামাজিক
ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এবং বর্তমানে সরকারের নানা উন্নয়নমুখী কর্মকান্ডে নানাবিধ সহায়তার কারণে তিনি সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন।

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা মনে করেন, আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে তার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মামলা দিয়ে তাকে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা করার চেষ্টা, একাধিক মামলার মুখোমুখি হয়ে দীর্ঘ সময় কারাবরণ, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার গ্রামের বাড়িতে বেশকয়েকবার আগুন দেয়া, প্রায় প্রতিরাতেই পুলিশ দিয়ে হয়রানীর কারনে দীর্ঘদিন নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালিয়ে থাকতে হয়েছে জামাল মাস্টারকে। এছাড়া জুলাইয়ের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় তাকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও স্থানীয়ভাবে আলোচিত। কাজেই দলীয় সিদ্ধান্তে যদি মনোনয়ন দেয়া হয়, তাহলে জামাল উদ্দীন মাস্টার কেই মনোনয়ন দেয়া উচিৎ।

অন্যদিকে, মোঃ আতাউর রহমান ফরিদও বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে একটি পরিচিত নাম। তিনি কুল্লাগড়া ইউনিয়ন যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। দুর্গাপুর পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর ২০০৪ সাল থেকে পৌর বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৪ সালে তিনি পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেন এবং বর্তমানে দুর্গাপুর পৌর বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের কারণে তিনিও সম্ভাব্য মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন।

অপরদিকে, সাবেক মেয়র শুভেন্দু সরকার পিন্টু বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে দুর্গাপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পদে দীর্ঘসময় থাকলেও দলীয়ভাবে কোন মামলা-হামলায় পরে কারাবরণ করতে হয়নি। ভোগ করতে হয়নি কোন নির্যাতন। দীর্ঘদিন পৌর বিএনপির সভাপতি থাকলেও দলীয় কর্মকান্ডে উল্লেখযোগ্য কোন সারা জাগাতে পারেননি তিনি। এছাড়া দীর্ঘ ১৭ বছর ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে আরাম আয়েশেই চালিয়েছেন ঠিকাদারী ব্যবসা। দলের জন্য উল্লেখ্যযোগ কোন ত্যাগ স্বীকার করতে হয়নি তাকে। এছাড়াও, তিনি ২০১৫ সালের স্থানীয় পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে, ২০

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park