
মো:মেহেদী হাসান,পিরোজপুর প্রতিনিধি।
পিরোজপুরের জিয়ানগরে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় উদ্ধার করা প্রায় ২০ কেজি মাছ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে নিলামে ১ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছে উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন নিলামে মাছগুলো কিনে নেন। বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলা পরিষদের পুকুর থেকে বড়শি দিয়ে রুই, কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ২০ কেজি মাছ ধরেন ওই কর্মকর্তা। পরে রাতে মাছগুলো ককসিটের বাক্সে করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়রা তাঁকে মাছসহ আটক করেন এবং পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছগুলো জব্দ করে উপজেলা প্রশাসনের হেফাজতে রাখে।
শনিবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন মাছগুলো নিলামে তোলে। নিলামে স্থানীয় হোটেল ব্যবসায়ী জাকির হোসেন ১ হাজার ৫০০ টাকায় প্রায় ২০ কেজি মাছ কিনে নেন। নিলাম থেকে প্রাপ্ত ১ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) সেলিম মাহমুদ সাগর বলেন, “আমি প্রশিক্ষণে আছি। এ বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে। ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. ওয়ালিউর রহমান রুবেল বলেন, সরকারি পুকুর থেকে অনুমতি ছাড়া মাছ ধরা অন্যায়। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং মাছ নিলামে বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা কে এম মামুনুর রহমানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার সাথে যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি।