গ্রামের বিদ্রোহ _আর. এম. কারিমুল্লাহ গ্রামটার নাম মঙ্গলপুর,গ্রামের ঠিক প্রান্তে, নদীর কোলঘেঁষে বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে এক প্রকাণ্ড মাঠ। মাঠটির ঠিক মাঝখানে নয় তবে রাস্তা থেকে খানিক ভেতরেই দাঁড়িয়ে আছে কয়েকটি
ক্ষমা করো শ্যামল অঞ্জন বণিক জানি একদিন আমি ঠিক ঠিক হারতাম ভালোবাসা ছাড়া আর কি বা দিতে পারতাম? ভালোবাসা আবেগে কতো দিন চলতে? একদিন মুখ ফুটে উচিতও তো বলতে! আজ
শরতের মেঘ প্রণয় আসাদুজ্জামান খান মুকুল শরৎ গগনে মেঘ করেছে খেলা, গুরু গুরু হুংকারে সারাটা বেলা। মেঘেরা বিবুনি খুলে পবনে উড়েছে দুলে, সুরের লহরী তুলে ভাসিয়ে ভেলা, বিমোহিত হয়ে দেখি
মুখরিত মূক নজরুল ইসলাম হাবিবী অনন্ত অন্তরীক্ষ অগণন ভেদ তত্ত্ব বুঝি, গ্রহ গুণি, মেঘ থেকে বারি তথ্য খুঁজি, স্রষ্টার মহারূপ দেখি সে যে কত, ছন্দরা দোলা দেয় মনে অবিরত, কথা
শ্রাবণের গাঁথা মালা আব্দুল কাদের শ্রাবণ বারিধারায় মেতেছে আজ প্রকৃতির সুজলা -সুফলা মাঠ, ব্যাঙ প্রজাতি সব বসেছে মেলা পুকুর পাড়ে জড়সড় পাঠ । ছাতা হাতে মেঘ বালক ডাকছে, করে বজ্রপাত
সাথী সুখ ডা কাজী আনোয়ার হোসেন বাঘাবারো দুখে সুখে ভেলা কেটে যায় বেলা সাথী হীন আছি একা তবু মনে কিছু ভাবি নাহি পিছু ব্যথা মনে ছবি আঁকা। আমি আঁখি জলে
কষ্ট হালিমা সুলতানা কষ্ট ধরা যায় না, ছোঁয়া যায় না, তবুও কষ্ট। এক পলকে হাজার জীবন করে শুধু নষ্ট। অদৃশ্য এক বস্তু ধ্বংস করে সর্ব শান্তি। ওজন হীনা কায়াহীনা তবুও
মানবতার বিচারে মজনু মিয়া মুসলিম আমি শান্তি চাওয়া আমার ধর্মের কাজ, নিজের দেশের দাবি কেবল সময়ের দাবি আজ। মানুষ মারা মানবিক নয় অমানবিক হয়, স্বদেশ চাওয়া স্বাধীনতা চাওয়া সঠিকময়। আছেন
বর্ষায় বিড়ম্বনা আব্দুল কাদের বর্ষাকালে বৃষ্টিরধারায় বিড়ম্বনা বাড়ে, ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টিরফোঁটা পরে মাথায় ঘাড়ে । জলে ডুবে পুকুর নদী ভারি বর্ষণ হলে, নদীরতীরে গোরু,ছাগল স্রোতে ভেসে চলে । বর্ষা এলে কালো
ফ্যাসিবাদ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে কবিতার অগ্নুৎপাত: “জুলাই এক বিদ্রোহ” প্রকাশিত জুলাই বিপ্লবের ঘটনাবলী নিয়ে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে “পালংকি সাহিত্য পরিষদ” সম্পাদিত “জুলাই এক বিদ্রোহ” ছড়া-কবিতা সংকলন। যৌথ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করছে