
স্টাফ রিপোর্টার
শনিবার (১৩ জুন)
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ঐতিজ্যবাহী ডুমুর ইছা গ্রামে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক মসজিদের নামে নাম করন করে আধুনিক “আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ” নির্মাণ হতে চলেছে। মসজিদ কমপ্লেক্স এবং আধুনিক মাদ্রাসা ও মাদ্রাসা ময়দান, একটি মক্তব, একটি ঈদগা মাঠ প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এবং সেই সাথে একটি সমাজ সেবামূলক সামাজিক সংগঠন (ফাউন্ডেশন), একটি খেলার মাঠ, আধুনিক প্রতিবন্ধী স্কুল ও স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে এগুলো করা হবে বলে জানা গেছে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ডুমুর ইছা গ্রামের কৃতি সন্তান সাংবাদিক, লেখক, প্রাক্তন শিক্ষক, দক্ষ ও সফল যুব সংগঠক, বিভিন্ন মানবিক সংগঠনের সক্রিয় সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার এর উদ্যোগে ও আহবানে এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায় এবং মো আইয়ুব আলী তালুকদার ও মো লিখন আলী তালুকদার এর যৌথ সমন্বয়ে এবং উভয়ের নিজস্ব অর্থায়নে একটি আধুনিক মসজিদ “আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ কমপ্লেক্স” ও, একটি “আধুনিক মাদ্রাসা কমপ্লেক্স” ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের এক বিশাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলমান রয়েছে। পরবর্তীতে একটি আধুনিক মক্তব, একটি প্রতিবন্ধী স্কুল ও ঈদগা মাঠ, খেলার মাঠ এবং যুব বয়স্ক স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন অলরেডি আমাদের তিন জনের নিজস্ব অর্থায়নে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করা হয়েছে এবং আরও অনেক জমি ক্রয়ের কাজ চলমান রয়েছে। তাই খুব দ্রুত এই পরিকল্পনার মূল কাজের জন্য জমিতে মাটি ভরাট, মসজিদ ঘর নির্মাণ ও ব্যবস্থাপনা কাজ শুরু করা হবে ইনশা আল্লাহ, এর আগে গত ২২ মে এই কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয় এবং দ্রুত কাজ শুরু করার ঘোষণা দেওয়া হয়।
মো ইয়াকুব আলী তালুকদার আরও বলেন আধুনিক মসজিদ কমপ্লেক্স, মসজিদ হলরুম এবং আধুনিক মক্তব-মাদ্রাসা ভবন নির্মাণ হলে ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা খুব আনন্দে এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে মহান রব আল্লাহর নিকট ইবাদত বন্দেগি এবং প্রার্থনা করতে পারবে। তিনি আরও বলেন এই প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়নের মাধ্যমে সাধারণ মুসলমান তাদের আত্বতৃপ্তির মাধ্যমে ইবাদত বন্দেগি করতে পারবে এবং গরীব দুঃখী অসহায় তলবে-এলেম শিক্ষার্থীরা ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতি গঠনের মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবে। তারা ইসলাম ধর্মের শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ বিদেশে সুনাম অর্জন করতে পারবে ইনশা আল্লাহ। ইসলামের প্রচার প্রচারণা এবং প্রসারে ভূমিকা পালন করতে পারবে। ইসলাম প্রচার ও প্রসার এবং শরীয়াহ আইন প্রতিষ্ঠার অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে ইনশা আল্লাহ। ইহকাল ও পরকালে মুক্তির পথ ও পাথেয় হতে পারবে।
মসজিদের পাশাপাশি একটি ঈদগা মাঠ, একটি স্বেচ্ছায় সমাজ সেবামূলক সামাজিক সংগঠন (ফাউন্ডেশন), যুব সমাজের জন্য একটি স্পোর্টিং ক্লাব, একটি খেলারমাঠ তৈরীর পরিকল্পনাও রয়েছে। তবে পর্যায়ক্রমে ধাপে ধাপে এই প্রতিষ্ঠান গুলো নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান। সামাজিক নানা রকমের সমস্যা ও বিরোধ মিমাংসার জন্য একটি সালিসি বৈঠকের জন্য একটি উত্তম স্থানও তৈরী করা হবে। সকল সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে এই প্রতিষ্ঠান থেকে। যেখান থেকে যুব সমাজ বিপথগামী ও ভ্রান্ত এবং অশ্লীল এবং মাদক ছেড়ে দিয়ে এবং আন্তরিকতার ইসলামী সমাজের মাধ্যমে বেড়ে উঠতে পারবে এবং দেশের উন্নয়নে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দানের মাধ্যমে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারবে। ইসলামী জীবন ব্যবস্থায় উজ্জীবিত হতে পারবে ইনশা আল্লাহ।
তাদের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সাথে বয়জেষ্ঠ প্রবীণ মুরুব্বি মো আব্দুস সাত্তার তালুকদার, মো মঞ্জুর হাসান ঝন্টু, মো আব্দুল মান্নান তালুকদার, মো ঈমান আলী তালুকদার, মো ইউনুস আলী তালুকদার, মো আনোয়ার হোসেন সেখ, মো আদম আলী তালুকদার, মো মাহমুদুল তালুকদার, মো হাসান সেখ, মো রওশন আলী তালুকদার, মো আব্দুল মোমিন সেখ, মো সুমন তালুকদার, মো ফরজ আলী তালুকদার, মো হারুনর রশীদ হিরোন তালুকদার, মো আশরাফুল ইসলাম, মো আইয়ুব আলী তালুকদার, মো বনি আমিন তালুকদার, মো আলহাজ্ব আলী তালুকদারসহ আরও অনেকেই একাত্বতা ঘোষণা করেছেন এবং সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার বদ্ধ হয়েছেন। তারা আরও বলেছেন এই প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন ও সফলতায় আমরা সবসময় সহযোগী হিসেবে আজীবন কাজ করে যাবো ইনশা আল্লাহ। তারা আরও বলেন এই প্রতিষ্ঠান গুলো সত্যি আমাদের খুবই প্রয়োজন রয়েছে। এখান থেকেই মানুষ তার পরিবর্তনের সূচনা করতে পারবে। বদলে যাবে, বদলে দেবে, দিন বদলের হাওয়ায় নিজেকে নিয়োজিত করতে পারবে। প্রকৃত ঈমান ও আমলের মেহনত হবে ইনশা আল্লাহ।
পরিশেষে উদ্যোগক্তা ও আহবায়ক এবং সমন্বয়ক এবং সার্বিক ব্যবস্থাপক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন গ্রাম ও এলাকার ছোট বড় সকলকেই এই মহান কাজের সাথে অংশ গ্রহণ করতে হবে এবং সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে এই মহান কাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এই আহবান সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও দায়িত্বশীলদের প্রতি আমার বিশেষভাবে অনুরোধ। আসুন আমরা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নয় সাধ্যমতো যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে আসি এবং মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য জান ও মাল দিয়ে এবং নিজেদের যোগ্যতাকেও ভালো কাজে লাগিয়ে স্বার্থকতা ও স্বফলতা অর্জন করি ইনশা আল্লাহ। যা পরকালে মুক্তির জন্য পথ ও পাথেয় এর উছিলা বা মাধ্যম হতে পারে। আমিন।
মো ইয়াকুব আলী তালুকদার আরও বলেন আমাদের এই মহান কাজের সাথে কোন ব্যক্তি, কোন গোষ্ঠী, কোন সমাজ, রাজনৈতিক কোন দল বা অন্য কোন সংগঠন বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে কোন রকম হিংসা, বিদ্বেষ, বিরোধিতা, শত্রুতা নেই এবং কোন রকম প্রতিযোগিতাও নেই। তাই দয়া করে কেউ ভুল বুঝবেন না প্লিজ।
তিনি সকলের প্রতি জোর আহবান করে বলেন আসুন মুক্ত হস্তে দান করি-পরকালের সঞ্চয় গড়ি। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র ঘর মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণ কল্পে স্বেচ্ছায় সদকায়ে জারিয়ার অংশীদার হই।