1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্লাবিত ২৭ গ্রাম, বিদ্যুৎবিহীন ৭ লক্ষাধিক মানুষ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে প্লাবিত ২৭ গ্রাম, বিদ্যুৎবিহীন ৭ লক্ষাধিক মানুষ।

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩০ মে, ২০২৫
  • ২০৬ বার পঠিত


লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি,
লক্ষ্মীপুরের রামগতি-কমলনগরে টানা বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর জোয়ারের পানিতে পৌর শহরসহ অন্তত ২৭টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে পড়ছে রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ শত শত বাড়িঘর।

বুধবার গভীর রাত থেকে বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে দুটি উপজেলা।

এখন পর্যন্ত রামগতি ও কমলনগর উপজেলার কোথাও বিদ্যুৎ নেই। সম্পূর্ণ অন্ধকারে রয়েছে এ দুই উপজেলার সাড়ে ৭ লাখ মানুষ। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ মে) রাতেও বিদ্যুৎ না আসার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
গতকাল বুধবার থেকে থেমে থেমে বৃষ্টি হয় জেলার রামগতি-কমলনগরে।

মেঘনা উপকূলীয় এ দুটি উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের প্রায় ২৭টি গ্রাম নদী তীরবর্তী। সামান্য বৃষ্টি ও মেঘনার তীব্র জোয়ারে পানি লোকালয় প্রবেশ করে। এতে এ অঞ্চলের রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বেড়িবাঁধসহ শত শত বাড়িঘরে পানি ঢুকে পড়েছে। ভেঙে পড়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

আজ সকাল থেকে প্রবল বৃষ্টি হয় এ অঞ্চলে। এতে বৃষ্টির পানি ও মেঘনার তীব্র জোয়ারের পানি ঢুকে পড়ে লোকালয়ের লক্ষাধিক মানুষের ঘরবাড়িতে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে, রামগতি উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের তিনটি, রামগতি পৌরসভার দুইটি, চররমিজ ইউনিয়নের দুইটি, বড়খেরী ইউনিয়নের দুইটি ও চরগাজী ইউনিয়নের তিনটি মিলে মোট ১২টি ওয়ার্ডের বিভিন্ন গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এ ছাড়া কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের দুইটি, চরকালকিনি ইউনিয়নের তিনটি, সাহেবেরহাট ইউনিয়নের ৫টি, চরফলকনের ২টি ও পাটারীরহাট ইউনিয়নের ৩টি সহ ১৫টি ওয়ার্ডের বেশ কয়েকটি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। দুই উপজেলার মোট ২৭টি গ্রামের বেশ কিছু এলাকার মানুষ এখন পানিবন্দি।

এ ছাড়া এসব ওয়ার্ডের কয়েকটি রাস্তা ভেঙে যাতায়াত ব্যবস্থাও বন্ধ রয়েছে।
রামগতির বিবিরহাট এলাকার ডা. আবু তাহের জানান, চররমিজ, বড়খেরী ও চরগাজী ইউনিয়নের বেশ কিছু গ্রামে মেঘনা নদীর পানি ঢুকে পড়েছে। অন্যদিকে, টানা বৃষ্টি হচ্ছে। এতে ওই অঞ্চলর মানুষ এখন অনেকটা পানিবন্দি।

চরগাজী ইউনিয়নের বাসিন্দা গোলাম রাব্বানী জানান, তার এলাকা মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলে। একদিকে নদীর জোয়ারের পানি, অন্যদিকে বৃষ্টির পানি প্রবেশ করে মানুষের ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাট ডুবে গেছে। হাটবাজার যাওয়াটাও কষ্টকর হয়ে গেছে।

কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) মাহফুজুর রহমান রাজন জানান, তার ওয়ার্ড কয়েকটি গ্রামে পানি ঢুকে রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। দুই শতাধিক মানুষের ঘরবাড়িতে পানি ঢুকে পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। মানুষ এখন ঘরবন্দী।

কমলনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাহাত উজ জামান বলেন, ‘দুইদিন ধরে টানা বৃষ্টি হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সবগুলো এলাকার খোঁজখবর নিচ্ছে।’

রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আমজাদ হোসেন বলেন, ‘এ অঞ্চলটি মেঘনা উপকূলীয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলো ডুবে যায়। নদীর জোয়ার ও বৃষ্টির পানি প্রবেশ করে সব একাকার হয়ে গেছে। আমরা উপজেলা প্রশাসন খবর নিচ্ছি। ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহায়তা করা হবে।’

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park