
বেবি চক্রবর্ত্তী :হুগলী:- রবীন্দ্রনাথের দেখানো পথেই রবীন্দ্র জন্মদিনে রাখি বন্ধন।
ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ লেগেছে।এই সময় সমগ্র দেশবাসীর এক থাকার সময়।সম্প্রীতি বজায় রাখার সময়।দেশের সরকার ও বিরোধী দলগুলো সেই বার্তাই দিয়েছে।
কবি বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে ভাতৃত্ব অটুট রাখতে রাখি বন্ধন করেছিলেন।
চুঁচুড়ার সৃষ্টি নৃত্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রথতলা থেকে পদযাত্রা করে।চুঁচুড়া রবীন্দ্র ভবনে গিয়ে কবির মূর্তিতে মালা দিয়ে রাখি বন্ধন পালন করে।পথ চলতি মানুষকে রাখি পরানো হয়।উপস্থিত ছিলেন চুঁচুড়া পুরসভার পুরো পারিষদ জয়দেব অধিকারী।
পুরো পারিষদ বলেন,এখন এক থাকার সময়।ভেদাভেদ ভুলে ঐক্য চাই।দেশের মানুষের মধ্যে ঐক্য থাকলে তবেই শত্রুরা ভয় পাবে।
বাংলাদেশ মুক্তি যুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সমুচিত জবাব দিয়েছিল ভারত।এবারও সময় হয়েছে বুঝিয়ে দেওয়ার নিরীহ মানুষকে হত্যা করা জঙ্গীদের মদত দেওয়ার পরিনাম কি ভয়ঙ্কর হতে পারে।ভারতের সেনা বাহিনী জল স্থল অন্তরিক্ষে পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করছে।সময় যত যাবে পাকিস্তান টের পাবে ভারতের সঙ্গে লাগতে গেলে তার পরিনাম কি হতে পারে।
প্রতিবছর রবীন্দ্র জয়ন্তীতে ছাত্রীদের নিয়ে নৃত্য সংগীতের আয়োজন হয়।এবার যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সেসব বাতিল করে।ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে সংহতি পদযাত্রা ও রাখি বন্ধন পালন করা হয়।