
নিজস্ব প্রতিনিধি:
ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলায় মোরারীপুর মৌজায় গণমাধ্যম কর্মী শাকিল আহমেদ এর খরিদকৃত ০৯৭৫০০ শতাংশ ভূমি স্থানীয় প্রভাবশালী নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল রশিদ মজনু পিতা মৃত হাসান মৃধা মোহন (৪৩) কাশেম (৩২)ও মানিক(৩০) সব পিতা মনজুরুল রশিদ। সে একজন ভূমিদস্যু ও প্রতারক বিগত সময় যাবত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন সন্ত্রাস হিসেবে এলাকায় হেনো কোন প্রকার অবৈধ নিয়মতান্ত্রিক কার্যকলাপ নেই যা সে করে নাই গ্রামের মানুষ তার ভয়ে এখনো মুখ খুলে তার অনিয়ম গুলোর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। তারই ধারাবাহিকতায় বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ এর সময়ে সে আমার খরিদা ভূমি জোর জবরদস্তি রাতারাতি মাটি ভরাট করে সেখানে অবৈধভাবে ইটখোলা স্থাপন করে আমার বাড়ি বিটার জমি দখল করে তার উপর চিমনি স্থাপন করে দিন রাত উৎপাদন করছে যার কারণে আমি সহ আমার আশেপাশের অনেক লোক আবাসিক ঘরবাড়ি স্কুল মাদ্রাসা পশুপাখি গাছপালা মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের সম্মুখীন। একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়েও আমি দুর্বৃত্ত চেয়ারম্যানের হুমকির মুখে গ্রামের নিজের বাড়ি ঘরে যেতে পারি না। চেয়ারম্যানের খাস লোক জনৈক হানিফের পুত্র জাহাঙ্গীর আমাকে উচ্চস্বরে বলে মজনু আমি আমার বাড়িতে এবং জায়গার দখল নিতে গেলে মজনু চেয়ারম্যান আমাকে ইট ভাটার চুলার আগুনে পোড়ে মেরে ফেলবে। ভূমিদস্যু দুর্বৃত্ত এই চেয়ারম্যানের নির্যাতনের বিরুদ্ধে গ্রামের কেহ প্রতিবাদ করলে রাতের আঁধারে তার বাহিনীর মাধ্যমে তুলে নিয়ে টর্চার সেলে অমানুষিক নির্যাতন করে। যার ফলে গ্রামের লোকজন মুখ খুলতে সাহস পায় না। মজনুর চেয়ারম্যান ও তার তিন ছেলের অত্যাচারে গ্রামের অনেক পরিবার পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবার অজয় সপরিবারে ঘরছাড়া। তদন্ত করে
ভূমির বিবরণী ঃ
ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছা উপজেলাধীন মৌজা-মুরারীপুর, খাদিজা খতিয়ান-২৫-১৯১, আর এস খতিয়ান-৭০, দাগ নম্বর আর এস-৩২, শ্রেণী-কান্দা, জমির পরিমাণ ০৯৭৫০০ শতাংশ।
দলিল নম্বর- ৩৪৫১,
তদন্ত পূর্বক ভূমিদস্যু মজনু চেয়ারম্যানের খবর থেকে আমার পরিবারের নিরাপত্তা এবং ভূমি উদ্ধারে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বৃন্দের কার্যকর যথাযথ পদক্ষেপ কামনা করি।
গণমাধ্যম কর্মী শাকিল আহমেদ।