
সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জের শাপলাপুর বিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত বনকর্মীদের সরাসরি সহযোগিতায় মগপাড়া এলাকার সেগুন বাগান থেকে গাছ কেটে পাচারের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ- স্থানীয় সামাদ, নাঈম উদ্দিন, ভিলেজার আবু আহমেদর পূত্র ডাম্পার চালক সুমন ও শাহাব উদ্দিন নামে একদল চোরাকারবারি বনকর্মী স্বপনের মাধ্যমে এই পাচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে। গোপন সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে সেগুন গাছ কেটে সংগ্রহ করে পাচারের জন্য প্রস্তুত করা হয়, আর বনকর্মীদের সহায়তায় তা নিরাপদে পাচার করা সম্ভব হচ্ছে।
স্থানীয়রা জানান, বিষয়টি শাপলাপুর বিট কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামকে জানানো হলে তিনি কয়েকটি জায়গায় অভিযান চালিয়ে সামান্য কিছু গাছ উদ্ধারের নাটক করেন। অভিযোগ রয়েছে, তিনি কিছু গাছ উদ্ধারের নাম করে মূলত সিন্ডিকেটকে আরো বড় আকারে গাছ পাচারের সুযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিট কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও কলেজ রিসিভ করেনি, পরে মেসেজ দিলেও রিপ্লাই না দেওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে স্থানীয় আব্দু রহিম, ছিদ্দিক,মোক্তার আহমেদসহ একাধিক ব্যক্তি জানান, “গত এক সপ্তাহে টানা বৃষ্টিপাতের সুযোগে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মচারীর সহায়তায় মগপাড়া সেগুন বাগান থেকে গাছ কেটে পাচার করা হচ্ছে। কিছু গাছ নাটকীয়ভাবে উদ্ধারের চেষ্টা দেখানো হলেও, বাস্তবে অধিকাংশ গাছ পাচার হয়ে গেছে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, বনরক্ষক হিসেবে যাঁরা বন সুরক্ষার দায়িত্বে আছেন, তারাই সিন্ডিকেট গড়ে সেগুন গাছ পাচারে জড়িত থেকে লাখ লাখ টাকার বাণিজ্য করছেন। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলেই অচিরেই সেগুন বাগান সহ ধ্বংস হয়ে যাবে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।