1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বন বিভাগ কর্তৃক নিষিদ্ধকালীন সময় নৌকা মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন নিহত সাংবাদিক আলিফ ফকিরের স্ত্রীকে চাকরি দিলেন : ডেপুটি স্পিকার সাতক্ষীরায় বাসের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে জাতীয় যুব দিবস -২৬ উদযাপিত হয়েছে। গাঁওকান্দিয়া ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নপ্রত্যাশী নুরুজ্জামান রিপন ​সাতক্ষীরা সীমান্তে আড়াই লাখ টাকার চোরাই মালসহ আটক ১

বন বিভাগ কর্তৃক নিষিদ্ধকালীন সময় নৌকা মেরামতে ব্যস্ত জেলেরা।

এম মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী।
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৪৫ বার পঠিত

 

এম মনিরুল ইসলাম বুড়িগোয়ালিনী।

বন বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত আইন অনুযায়ী কাঁকড়া ও মাছের প্রজনন কাল হিসেবে তিন মাস কাঁকড়া ধরার পারমিশন ছিল না।আগামী পহেলা সেপ্টেম্বর কাকরা ধরার বৈধ অনুমতি দেবে বনবিভাগ। যে কারণবশত জেলেরা নৌকা মেরামতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।অনুসন্ধান পূর্বকপ্রকাশ,সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার উপকূলীয় অঞ্চল গুলির হাজার হাজার জেলে বাওয়ালি সুন্দরবনের উপর নির্ভরশীল। অনেকে বন বিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগ সাজসে চুক্তিভিত্তিক কাঁকড়া ও মাছ নিধন যজ্ঞ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আইনের উপর যারা শ্রদ্ধাশীল তারা প্রচন্ড মানবেতর জীবন যাপন করছেন।নৌকা প্রস্তুত করতে ব্যস্ত জেলে মফিদুল ইসলাম, পিতা বারিক গাজী।তার বাড়ি বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নদী সংলগ্ন গাজীপাড়া গ্রামে।তার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এখন সুন্দরবনে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ অবৈধ। হাজারো কষ্টে দিনাতিপাত করছি।সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য সহানুভূতি আমাদের পর্যন্ত পৌঁছায় না। আগামী মাসের প্রথমে কাকড়া ও মাছ ধরার অনুমতি দিলে, সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরতে যাওয়ার বাসনায় নৌকা ঠিক করার কাজে দিনরাত এক করছেন তিনি। এই জেলে আরো জানান,কিছু চোরা কারবারি মৎস্য আহরণকারী দুষ্ট চক্র, বিষ দিয়ে অনবরত মৎস্য সম্পদ নিধন করে চলেছে। উপযুক্ত প্রমাণ পেলে আইনের হাতে সোপর্দ করব। হাজারো অভাবে দিন কাটলেও দেশের সম্পদ বিশ্বের ঐতিহ্য সুন্দরবনের ক্ষতিসাধনে লুকিয়ে অথবা চুক্তির মাধ্যমে সুন্দরবন ধ্বংসের কারণ হতে চাই না।আমাকে দেখে আরো অনেকেই এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাবে।আজকাল সবকিছু সিস্টেম মেনটেন করে হচ্ছে।এই প্রতিনিধিকে তিনি আরো জানান, বৈধ পাস দিলে তখনি জঙ্গলে যাব। মাছ ধরবো কাঁকড়া আহরণ করব।এমত অবস্থায় কোনভাবেই সুন্দরবন উজার করতে ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডে কখনোই লিপ্ত হবনা। আমি আইনের উপরে আস্থা রাখি ও শ্রদ্ধাশীল। উপকূলবাসীকে সুন্দরবন মায়ের মত আগলে রাখে। দুর্যোগ প্রবণ উপকূলীয় অঞ্চলগুলিকে রক্ষা করে আসছে। আমাদের সম্পদ রক্ষা করার দায়িত্ব আমাদের, কোনমতেই কারো প্রলোভনে কাঁকড়া সম্পদ ও মৎস্য সম্পদ ধ্বংসযজ্ঞে লিপ্ত হবো না। সামান্য একজন জেলের আইনের উপর শ্রদ্ধাশীল হতে দেখে মনে একটা প্রশ্ন দোলা দেয়,সবাই যদি এরকম মন-মানসিকতার হত?সুন্দরবন নদীতে অফুরন্ত মৎস্য ভান্ডার ও মধু সম্পদ কোন রকম অপচয় হতো না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park