
নবীগঞ্জ শহরের শেরপুর রোডে অবস্থিত ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন প্রকারের মিষ্টি ও দই। হোটেল এর পরিবেশ ও শ্রমিকরাও অস্বাস্থ্যকর। এলাকাবাসীর অভিযোগ দই এর মধ্যে টয়লেট টিশু ব্যবহার করে আকর্ষনীয় করা হয়। নোংরা পরিবেশে এসব মিষ্টি জাতীয় খাবার তৈরি হলেও স্থানীয় প্রশাসনের নেই কোন নজরদারী। তাই এ দোকানের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্রেতারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ শহরের শেরপুর রোডে অবস্থিত ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারে দীর্ঘদিন ধরে মিষ্টি তৈরি ও শহরের বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করে আসছে। সেখানে সরকারের অনুমোদন তাকলে ও অস্বাস্থকর পরিবেশে এখানে মিষ্টি ও দই এর কারখানা। অনুসন্ধানে জানা যায়, রাতারাতি আঙ্গুল পোলে কলাগাছ বনে গেছে ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারে মালিক ভেজাল পদ্ধতিতে তৈরি করে দই মিষ্টি আর তাতে বনে গেছে রাতারাতি কোটি পতি অল্প সময়ে পাড়ি জমিয়েছেন কানাডায়, এমনকি অনুসন্ধানে আরও জানা যায় ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারে আওয়ামিলীগের অনেক দোসরা যাতায়াতে করে অনেকেই ধারণা করছেন আওয়ামিলীগ দোসরদের আশ্রয় দিচ্ছেন এই মিষ্টির দোকানের মালিক, এদিকে রহস্যময় লুকিয়ে আছে ঘোষ মিষ্টান্ন ভান্ডারের মিষ্টির কারখানায় তারা একমাত্র নিজেরা ছাড়া কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। সাংবাদিকরা ভিতরে ঢুকতে চাইলে তারা উত্তেজিত হয়ে যায়। অনুমোদিত থাকলে ও ওই কারখানায় কর্মরত শ্রমিকরা খালি গায়ে, অপরিস্কার ও স্যাঁতসেতে দুর্গন্ধময় স্থানে তৈরী করছে দই ও মিষ্টি। গতকাল (২৫ এপ্রিল) শুক্রবার দুপুরে শহরের শেরপুর রোডে অবস্থিত ঘোষ মিষ্টান্ন ভাণ্ডারে গিয়ে দেখা যায়। একজন শ্রমিক বাহিরে দাড়িয়ে আছে। ভিতরে গিয়ে দেখা যায় দুই লোক ভিতরে দাঁড়িয়ে আছে। দই তৈরীর জন্য বহু আগে প্রস্তুতকৃত দুধের পসরা হাজার হাজার মাছির দখলে। এর পাশে খোলা ঘরে তৈরী মাওয়া ধারার বেড়া দিয়ে বাতাস পাওয়ার জন্য নেটবিহীন উম্মুক্তভাবে ছড়িয়ে রাখা হয়েছে। গন্ধযুক্ত ড্রামে মজুদ করা ছানা ও দুধে মাছির ভনভনানি, সেইসাথে সেখানে অসংখ্য মশা-মাছির লাশ পড়ে রয়েছে। হোটেলের কর্মরত শ্রমিক কারিগরদের পরনে নেই এ্যাপ্রোন, হাতে নেই হ্যান্ডগ্লোবস, মাস্ক ও হেডক্যাপ। সচেতন মহল উপজেলা প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।