
নবীগঞ্জ উপজেলা করগাও গ্রামের খতিব উল্যাহর পুত্র ইসাক,সালাম, রোমান গংদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ লতিব উল্যাহর ছেলে ফারুক মিয়ার পরিবার। গত (৪)মে রবিবার দুপুর ৩ঘটিকায় সময় নবীগঞ্জ জোনাল অফিসের পল্লী বিদ্যুতের লাইন ম্যান মিটার সংযোগ করতে যায় করগাও ফারুক মিয়া বাড়িতে, সেই সময় আব্দুস সালাম, ইসাক মিয়া,সফি মিয়া,নোমান মিয়া,নাহিদ মিয়া গংরা পল্লীবিদ্যুতে লোকদের মিটার সংযোগ করতে বাধা সহ ও হুমকি ধামকি দেওয়ার প্রেক্ষিতে নিরীহ ফারুক মিয়া আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্য কর্মরত সাংবাদিক ও পুলিশ প্রশাসন কে ফোন করে বিষয় অবগত করলে। তাৎক্ষণিক কর্মরত সাংবাদিক বাদল আহমেদ ও সাংবাদিক নাহিদ নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)মো: কামাল হোসেনকে এই বিষয় অবগত করেন এবং সালাম গংরার পূর্বের অপকর্ম বিষয় অবগত করেন তৎকনিক অফিসার ইনচার্জ কামাল হোসেন দুইজন অফিসার কে বিষয় টি দেখার জন্য বলেন ও এসএ আই সমন্ত এসএ আই হিল্লোল তালুকদার সহ দুইজন সাংবাদিক ঘটনাস্থলে যায়, সেই সময় সাংবাদিক পুলিশ উপর আতর্কিত হামলা চালায় আব্দুস সালাম গংরা কর্মরত অবস্থায় দুই সাংবাদিকের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ও তাদের উপর দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে, পুলিশ ও স্থানীয় কিছু মানুষের সহায়তায় সাংবাদিকরা প্রাণে বেচে যায়, এদিকে স্থানীয় সুত্রে আরও জানা যায় আব্দুস সালাম ও ইসাক মিয়া গংরা করগাও এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে তাদের ক্ষমতার দাপটে অতিষ্ঠ করগাও গ্রামের নিরীহ মানুষ! বাড়ি সীমানায় বাউন্ডারি দিতে গিয়ে সালাম কে ৫০ হাজার দিতে হয়েছে।
ইসাক মিয়া ও সালাম গংদের বিষয়ে আরও জানা যায় এরা নারী ব্যবসা চাঁদাবাজী সহ অসংখ্য অবৈধ কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদের কাছে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সাংবাদিক পল্লীবিদ্যুত সহ সবাই লাঞ্চিত হয়েছে বহুবার!!
অতিথে ইসাক ও সালাম গংরা একজন কর্মরত সাবেক পুলিশ অফিসার মিজানের হাতকড়া ছিনিয়ে আসামীকে জোরপূর্বক নিয়ে যায়, অসংখ্য অভিযোগের অভিযোক্ত সালাম গংরা
এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম না বলা শর্তে বলেন ইসাক ও সালাম গংরা মনে করে এখনো ক্ষমতা দেখিয়ে তারা যা ইচ্ছে তা করে তাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ কেউ করার সাহস নেই, যদি ও কেউ করে তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে তাদের উপর চালায় পাশবিক নির্যাতন। সালাম গংদের বিরুদ্ধে নবীগঞ্জ থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। ফারুক মিয়া বলেন আমি প্রায় ৩০ বছর যাবত তাদের অত্যাচার নির্যাতন সহ্য করে এসেছি। প্রায় সময় ঘরে ঢুকে মারলেও গ্রামের মানুষ তাদের ভয়ে কেউ আসেনা। প্রশাসন যাওয়ার পর পর ই আমাকে বাড়ি থেকে মেরে বের করে দিয়েছে।
এদিকে সাংবাদিক, পুলিশ ও পল্লিবিদ্যুতের উপর এই ন্যাক্কারজনক হামলার বিষয় জানা জানি হলে সাংবাদিক সহ সুশীল সমাজের মাঝে বইছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও পাশাপাশি প্রশাসনের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আহবান জানান এই সন্ত্রাসী বাহিনীর ক্ষমতার উৎস কী পর পর এভাবে পুলিশ সহ সাংবাদিক পল্লিবিদ্যুতের উপর হামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃতি দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবী জানান ফারুক মিয়া ও সাংবাদিক এবং সুশীল সমাজ!!