
প্রথম দেখায় যে কারও মনে হবে জলমহাল নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে অবস্থিত ভেরি বিলে মাছ ধরার মহা উৎসব চলছে। কার আগে কে কত বেশি মাছ ধরতে পারে প্রতিযোগিতা চলছে। অথচ এটি কোনো মাছ ধরার উৎসব নয়। দিনদুপুরে সরকারি জলাশয় থেকে মাছ লুট করা হচ্ছে। স্থানীয় সুজাপুর গ্রামের ১৫-২০ জন মানুষ মাছ ধরতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। গত ছয় দিনে নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নে অবস্থিত ভেরি বিল নামের এই জলমহালের প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ লুট করা হয়েছে। গত সোমবার (১৪ এপ্রিল) রাতে বিলের সাবেক ইজারাদার খবর পান, বুধবার (১৬ এপ্রিল) ভোরে বিলের মাছ লুটপাট করার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি সাবেক ইজারাদার নবীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবগত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিক ভাবে তহসিল ধারকে পাটিয়ে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পর ও তাতে কোনো লাভ হয়নি। একদল কুচক্রি মহল প্রশাসনের আদেশ অমান্য করে জলমহালটির প্রায় ১০ লক্ষ টাকার মাছ লুট করে ধরে নিয়ে যায়। ভেরি বিলে মাছ ধরতে আসা কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, ‘আমাদের ভরি বিলে অনেক ধরনের মাছ রয়েছে। যে যেমনে পারে মাছ ধরে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছে।’ আবার কেউ কেউ বাজারে বিক্রি ও করছে। বিলে মাছ ধরতে আসা আরেক জন ব্যক্তি প্রতিবেদককে বলেন, ‘বিল থেকে বড় একটা ঘাগট মাছ ধরেছি। বাজারে নিয়ে বিক্রি করবো। এ বিষয়ে বিলের সাবেক ইজারাদার সোনার তরী সমিতি প্রতিবেদককে জানায়, বিলের সব মাছ শেষ করে দিতেছে এই কুচক্রী মহল । দিনদুপুরে সরকারি সম্পদ বিলের মাছ লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসন সক্রিয় ভূমিকা রাখলে এ ক্ষতি সরকারের হতো না। দিনদুপুরে বিল থেকে জোর করে লক্ষ টাকার মাছ লুট করে নিয়েছে এই ঘটনায় নিয়ে ও সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন? সচেতন মহল বলেন, এইসব কুচক্র মহলের কারণে আমাদের জাতীয় সম্পদ নষ্ট করছে। এদের কারণে বিলের পোনা মাছ ধংষ হচ্ছে। এব্যাপারে নবীগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (এসিলেন্ড) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহীন দেলোয়ার বলেন, এ ঘটনা সম্পর্কে শুনেছি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।