1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
জেল ফেরত শিক্ষক, প্রশ্নে শিক্ষা প্রশাসন - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

জেল ফেরত শিক্ষক, প্রশ্নে শিক্ষা প্রশাসন

হাসিনজ্জামান মিন্টু ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার পঠিত

হাসিনজ্জামান মিন্টু
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:

প্রক্সি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি ফৌজদারি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ার পরও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেছেন এক সহকারী শিক্ষক। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শিক্ষা প্রশাসনের তদারকি ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

জানা গেছে, উপজেলার রাতোর ইউনিয়নের প্রয়াগপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. জুয়েল রানা ঢাকায় ভিজিল্যান্স সার্ভে কমিশনের অফিস অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে নিয়োগ পরীক্ষায় অন্য এক পরীক্ষার্থীর হয়ে প্রক্সি দেওয়ার অভিযোগে আটক হন। পরে তাকে আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০ জুন ২০২৬ ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দ্য পেনাল কোড, ১৮৬০-এর ৪২৯ ধারার মামলায় তাকে জেলহাজতে পাঠানোর আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার, কেরানীগঞ্জে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়।

পরে জামিনে মুক্তি পেয়ে ওই শিক্ষক কর্মস্থলে যোগ দেন এবং টানা দুই দিন শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে এলে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি আর বিদ্যালয়ে উপস্থিত হননি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের প্রশ্ন, ফৌজদারি মামলায় কারাগারে যাওয়ার পরও কীভাবে একজন শিক্ষক পুনরায় শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সুযোগ পেলেন? তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না পাওয়ায় ঘটনাটি নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park