1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় পাস করতে পারেনি একজন শিক্ষার্থীও! - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় পাস করতে পারেনি একজন শিক্ষার্থীও!

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম
চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

চুুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কুড়ুলগাছি দাখিল মাদ্রাসায় শিক্ষক কর্মচারী আছেন ২১ জন। অথচ এ বছর দাখিল পরীক্ষায় মাদ্রাসার একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি।

মাদ্রাসার শিক্ষকদের চরম গাফিলতির কারণেই এমন ফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ অভিভাবকদের। বিগত বছর ধরেই প্রতিষ্ঠানটিতে ধারাবাহিক ফল বিপর্যয় চলছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে ২১ জন শিক্ষক কর্মচারী কর্মরত রয়েছেন। এ বছর মাদ্রাসাটি থেকে ২৮ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, তবে তাদের একজনও পাস করতে পারেনি। সবাই ফেল করায় মাদ্রাসার পাসের হার শূন্য।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদ্রাসাটি ২০০১ সালে এমপিওভুক্ত হয়। ফলে শিক্ষকরা নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থী পাওয়া যাচ্ছে না এবং পরীক্ষার ফলাফলেও ধস নামছে।

গ্রামের বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, মাদ্রাসার শিক্ষকরা ঠিকমতো পড়ালেখা করান না এবং নিয়মিত মাদ্রাসায় আসেন না, শুধু বেতন তোলেন। ফলে এলাকার সচেতন অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই মাদ্রাসায় ভর্তি করান না। বিগত ১০ বছর ধরেই এখানে শিক্ষার্থী সংকট এবং ফল খারাপ হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park