
মোঃ তারেক রহমান মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে প্রদত্ত সম্মানজনক ‘কবি কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’-এর জন্য শাহজাদপুর পৌরসভার সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও জনদরদী ব্যক্তিত্ব আমির হোসেন সবুজ মনোনীত হওয়ায় শাহজাদপুরজুড়ে আনন্দ, উচ্ছ্বাস ও গর্বের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। মনোনয়নের সংবাদ প্রকাশের পর থেকেই রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী ও সাধারণ জনগণ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছায় সিক্ত করছেন।
জানা গেছে, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মানবতা, সাম্য, অসাম্প্রদায়িকতা, ন্যায়বিচার ও সমাজকল্যাণমূলক আদর্শকে ধারণ করে সমাজে ইতিবাচক অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সমন্বয়ে গঠিত জুরি বোর্ড তাকে এ সম্মানজনক অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনীত করেছে।
মনোনয়নের প্রতিক্রিয়ায় আমির হোসেন সবুজ বলেন,এই সম্মাননা আমার একার নয়; এটি শাহজাদপুরের মানুষের ভালোবাসা, সমর্থন, দোয়া ও আস্থার প্রতিফলন। মানুষের কল্যাণে কাজ করার যে অনুপ্রেরণা আমি সবসময় পেয়ে এসেছি, এই স্বীকৃতি সেই পথচলাকে আরও বেগবান করবে।
তিনি আরও বলেন, আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেজাউদ্দৌলা চৌধুরী মহোদয়, সম্মানিত জুরি বোর্ড ও আয়োজকবৃন্দের প্রতি। তাদের এই মূল্যায়ন আমাকে ভবিষ্যতে আরও বেশি জনকল্যাণমূলক কাজে সম্পৃক্ত হতে উৎসাহিত করবে।
আমির হোসেন সবুজ এ সম্মাননা উৎসর্গ করেন তার মরহুমা মাতা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, তার গর্ভধারিণী মা জাহানারা হোসেন, শাহজাদপুরের বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মী, শাহজাদপুরের সর্বস্তরের জনগণ এবং বাংলাদেশের মানুষের প্রতি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আমির হোসেন সবুজ সামাজিক, মানবিক ও জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে সহযোগিতা, বিভিন্ন সামাজিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তিনি এলাকাবাসীর আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
শাহজাদপুরের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, একজন নিবেদিতপ্রাণ সমাজসেবক হিসেবে আমির হোসেন সবুজের এ অর্জন শুধু তার ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; এটি সমগ্র শাহজাদপুরবাসীর জন্য গর্বের বিষয়। তারা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতেও তিনি মানুষের কল্যাণে আরও ব্যাপক ভূমিকা রাখবেন এবং এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।
এদিকে, মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ তাকে অভিনন্দন জানিয়ে তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, এই সম্মাননা শাহজাদপুরের জন্য একটি গৌরবময় অর্জন এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত ব্যক্তিদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।