1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
মোহনপুর উপজেলার আমরাইলে ১৪ শিক্ষক, এসএসসিতে ১৩ জনই ফেল শূন্য পাসের নেপথ্যে কী? পাঠদানে গাফিলতি, - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি খেলাধুলায় মনোবল বাড়াতে জোড়া খাসি উপহার দিলেন মেয়র পদপ্রার্থী জামাল উদ্দিন মাস্টার নিয়োগের অপেক্ষায় ১-১২ তম নিবন্ধিত শিক্ষকগণ, নেই নিয়োগের চুড়ান্ত ঘোষণা নেই, নিয়োগের বাঁধা কোথায়!

মোহনপুর উপজেলার আমরাইলে ১৪ শিক্ষক, এসএসসিতে ১৩ জনই ফেল শূন্য পাসের নেপথ্যে কী? পাঠদানে গাফিলতি,

‎মোঃ মহাজামিল,মোহনপুর উপজেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
  • ১২৭ বার পঠিত

‎মোঃ মহাজামিল,মোহনপুর উপজেলা প্রতিনিধি
‎
‎রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার আমরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকসহ শিক্ষক রয়েছেন ১৪ জন। অথচ চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় বিদ্যালয়টি থেকে অংশ নেওয়া ১৩ জন পরীক্ষার্থীর একজনও পাস করতে পারেনি। ফলে বিদ্যালয়টির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
‎
‎সোমবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর মোহনপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
‎
‎বিদ্যালয়ের এমন ফলাফল নিয়ে শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাদের অভিযোগ, ১৪ জন শিক্ষক থাকার পরও ১৩ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করার বিষয়টি শুধু শিক্ষার্থীদের দুর্বল ফলাফল দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান, শিক্ষকদের উপস্থিতি, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হতো কি না—এসব বিষয় খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
‎
‎স্থানীয়দের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনজুর রহমান মঞ্জু নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিত থাকেন না। পাশাপাশি কয়েকজন শিক্ষকও নিয়মিত ক্লাস নিতে আগ্রহী নন বলে অভিযোগ রয়েছে।
‎
‎এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মনজুর রহমান মঞ্জু বলেন, বিদ্যালয়ের ফলাফল অত্যন্ত হতাশাজনক। আমি সব শিক্ষককে নিয়ে জরুরি সভা করব। বিদ্যালয়ের ফলাফল এত খারাপ হলো কেন, তা আমি বুঝতে পারছি না।’
‎
‎মোহনপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম মাহমুদুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের শূন্য পাসের ফলাফলের পর এর এমপিও বাতিলের জন্য সুপারিশ করা হবে।
‎
‎এদিকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার জানিয়েছেন, ফলাফল নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে প্রধান শিক্ষককে তলব করা হয়েছে।
‎
‎তিনি বলেন, ‘বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী কেন ফেল করেছে, তা তদন্ত করে দেখা হবে। পাঠদানে অবহেলা বা দায়িত্বে কোনো ধরনের গাফিলতি পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
‎
‎চলতি বছর মোহনপুর উপজেলায় এসএসসি, দাখিল ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২ হাজার ৪২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে মোহনপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৮টি প্রতিষ্ঠানের ৪০৪ জন, মোহনপুর সরকারি বালিলা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৯টি প্রতিষ্ঠানের ৩৬৭ জন এবং কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ১৩টি প্রতিষ্ঠানের ৫১৯ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়।
‎
‎এ ছাড়া কেশরহাট টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ৩২৭ জন এবং সংকোয়া-বকশাইল কামিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে ১৮টি প্রতিষ্ঠানের ৪২৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।
‎
‎একটি বিদ্যালয় থেকে অংশ নেওয়া ১৩ জন পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল করার ঘটনায় এখন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার মান, শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা, বিদ্যালয় পরিচালনা এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের তদারকি ব্যবস্থা নিয়ে তদন্তের দাবি জোরালো হয়েছে।
‎

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park