
বেবি চক্রবর্ত্তী :- মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে দলের প্রার্থী তালিকা নিয়ে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অসন্তুষ্ট। আগামী ২০ শে নভেম্বর মহারাষ্ট্রে এক দফাতেই হতে চলেছে বিধানসভা ভোট। তার জন্য ২৯ শে অক্টোবর মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। কিন্তু তার দুদিন আগেই আসন রফা নিয়ে বিরোধী জোটের মধ্যে জট বাদ দিয়ে শুরু করেছে।
মহারাষ্ট্র বিধানসভা ভোটে মোট ২৮৮টি আসনের মধ্যে ২১৭ টি আসনে এখনো পর্যন্ত মহা বিকাশ অঘারি প্রার্থী দিতে পেরেছে। রবিবার কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ১৬টি আসনে। শনিবার ২৩ টি আসনে তারা প্রার্থী ঘোষণা করেছিল। আবার দ্বিতীয় তালিকায় উদ্ভব ঠাকরের শিবসেনা ১৫টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। এই নিয়ে তাদের মোট ৮০টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা হয়েছে। অন্যদিকে শরদ পাওয়ারের এনসিপি ৬৬ টি আসনে প্রার্থী দিলেও একই আসনে জোটে থাকা দুই দলই প্রার্থী ঘোষণা করেছে।
এনডিএর শরিকরা যখন আসন রফা নিয়ে জট কাটার আশায় রয়েছে আর মাঝেই মহারাষ্ট্র কংগ্রেসের স্ক্রিনিং কমিটির ওপর অসন্তুষ্ট রাহুল গান্ধী। তবে সূত্রের খবর রাজ্যের কিছু প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতাকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তালিকা করা হয়েছে এই অভিযোগে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী।
কংগ্রেসের শক্তপোক্ত সংগঠন যেখানে আছে সব জায়গায়ও উদ্ভব ঠাকরের শিবসেনাকে কেন আসন দেওয়া হল প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। মহারাষ্ট্রে জোট শরিকদের কাছে কংগ্রেস তাদের দাবি দাওয়া রাখতে ব্যর্থ হয়েছে বলেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধী।
কংগ্রেস চেয়েছিল মহারাষ্ট্রে অন্তত ১১০ টি আসনে লড়তে। কিন্তু উদ্ভব ঠাকরের দল তা মানতে রাজি হয়নি। ৮৫ – ৮৫- ৮৫ আসনে সূত্র ঘোষণা করা হয়েছে। চলতি বছরে লোকসভা নির্বাচনে আসন সংখ্যা ৯৯ তে পৌঁছে যাওয়ায় কংগ্রেসের অন্তরে একটা ফিল গুড ফ্যাক্টর তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হরিয়ানায় অপ্রত্যাশিতভাবে হারের পর সেই ফিল গুড ফ্যাক্টর উধাও হয়ে গিয়ে দোষারোপের খেলা শুরু হয়ে গেল। মহারাষ্ট্রের নির্বাচনে প্রভাবিত করেছে। রাহুল গান্ধী মনে করছেন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আসন উদ্ভব ঠাকরের শিবসেনাকে মুম্বাই এবং বিদর্ভ কংগ্রেসের এই দুই শক্ত ঘাঁটি ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মহারাষ্ট্রে আসন রফর নিয়ে আলোচনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বিধায়ক দলের নেতা বালা সাহেব থোরাট, দলের রাজ্য রমেশ চেন্নিথালা, সভাপতি নানা পাটোলেকে। কিন্তু এই তিন নেতা যেভাবে আসন রফা করেছেন তাতে ক্ষুব্ধ রাহুল গান্ধী। শুধু তাই নয় মহারাষ্ট্র নির্বাচনে দলের প্রার্থী তালিকা নিয়েও ক্ষোব প্রকাশ করেছেন তিনি। রাহুল গান্ধী মনে করছেন এই প্রার্থী তালিকায় ওবিসিদের মধ্যে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণী প্রাধান্য পেয়েছে বাকিরা উপেক্ষিত। তবে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো রাহুল গান্ধীর যে আসন রফাকে লোকসান বলে মনে করছেন সেই আসন রফাও এখনো চূড়ান্ত হয়নি।