
বেবি চক্রবর্ত্তী :-মহারাষ্ট্রে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে কমিশনের তরফ থেকে প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। আর এরই মাঝে বড় সাফল্য পেল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন শরদ পাওয়ার এবং বিজেপি অ্যান্ড কোম্পানির কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই নির্বাচন আধিকারিকরা মানি পাওয়ার এবং মাসল পাওয়ারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন।
মহারাষ্ট্র নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পারদ চড়েছে। দুই পক্ষই কোমর বেঁধে প্রচার চালাচ্ছে। আসন সংখ্যা এবং প্রার্থী নিয়েও চলছে চুল চেরা বিশ্লেষণ। গত ১৫ই অক্টোবর থেকে মহারাষ্ট্রে আদর্শ আচরণ বিধি লাগু হয়ে গেছে। অবাধ এবং সুষ্ঠুভাবে যাতে নির্বাচন হয় সে বিষয়ও পদক্ষেপ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেইমতো আধিকারিকরা গত ১৫ তারিখ থেকে ২৫ তারিখ পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযান এবং তল্লাশি চালিয়ে ১০০৪০ লাখ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে মহারাষ্ট্রের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক জানিয়েছেন। জানা গেছে সেই তালিকায় বিপুল অর্থ, ওষুধ, মদ এবং কিছু মূল্যবান ধাতু রয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে আয়কর, লিশ, রেভিনিউ ইন্টিলিজেন্স, নারকোটিক্স ব্যুরো এবং শুল্ক ও আবগারি বিভাগ একটিভ আছে। বিশেষ করে মুম্বাই শহরতলী, নাগপুর, এবং রত্নগিরি জেলায় বিশেষ অভিযানের কথা জানানো হয়েছে। cVIGIL APP এর মাধ্যমে এখনো পর্যন্ত ১১৪৪টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে যার মধ্যে ৯৯% অভিযোগ খতিয়ে দেখে নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে ওই বার্তায় জানানো হয়েছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য আগামী ২০ শে নভেম্বর এক দফাতেই মহারাষ্ট্রে ভোট হতে চলেছে। ২৮৮ আসন বিশিষ্ট এই বিধানসভা নির্বাচনের আগামী ২৩ শে নভেম্বর গণনা হবে।