1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
তিনবার সংশোধনের পরও শেষ হয়নি সীমান্ত সড়ক পানিসম্পদ মন্ত্রী - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে শান্তিপূর্ণ ভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব উদযাপিত। উল্লাপাড়ায় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে নাসির হোসেন, নির্বিঘ্নে পূজা উদযাপনে প্রশাসনের সঙ্গে তদারকি

তিনবার সংশোধনের পরও শেষ হয়নি সীমান্ত সড়ক পানিসম্পদ মন্ত্রী

টেকনাফ প্রতিনিধি //
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১১৮ বার পঠিত

টেকনাফ প্রতিনিধি //

বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা ৬১ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে তিন দফা ব্যয় ও প্রকল্প সংশোধন করা হলেও এখনো কাজ শেষ হয়নি। প্রকল্প গ্রহণের আগে যথাযথ সমীক্ষা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে টেকনাফে সীমান্তবর্তী নাফ নদী পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল ১১টায়উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সীমান্ত নিরাপত্তা নিয়ে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

সভায় সীমান্ত সড়ক প্রসঙ্গে এ্যানি বলেন, “একটা প্রজেক্ট তিনবার রিভাইজ হওয়ার পরও জনগণের সুবিধা থেকে আমরা বঞ্চিত। তাহলে রিভাইজ কেন হলো? তিনবার হওয়ার যৌক্তিকতা কী ছিল, আপনারা বুঝে নেন। এটা কি জনস্বার্থে হলো?এটা এখন আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার এটাকে শেষও করতে হবে। বসে থাকলে তো চলবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনস্বার্থের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা, পানি নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ করা হবে। সড়কটি চালু হলে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে।

এক দশকেও শেষ হয়নি নাফের বাঁধ প্রকল্প

এর আগে নাফ নদীর তীরবর্তী পোল্ডার ৬৭/এ, ৬৭/বি ও ৬৮-এর পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। পরে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে এ্যানি বলেন, “টেকনাফের মানুষ এখনো এ প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পায়নি। প্রকল্পের স্ট্রাকচার ও সমীক্ষা সঠিক না হওয়ায় দীর্ঘ বছরেও কাজ শেষ হয়নি।

সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আযাদ বলেন, স্লুইস গেট নাকি ব্রিজ-কী নির্মাণ করা হবে, তা স্থানীয় মানুষের মতামত ও সুবিধা বিবেচনায় নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই বিশেষজ্ঞ কারিগরি দল এলাকায় এসে পর্যালোচনা করবে।

২০১৭ সালে প্রায় ১৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে ৪১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সরকারি হিসাবে প্রকল্পটির অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। প্রকল্পের আওতায় বাঁধ পুনর্বাসন, পানি নিষ্কাশন, খাল পুনঃখনন, সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের কাজ রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আযাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, তিনবার সংশোধনের পরও শেষ হয়নি সীমান্ত সড়ক

তিনবার হওয়ার যৌক্তিকতা কী ছিল, আপনারা বুঝে নেন। এটা কি জনস্বার্থে হলো?এটা এখন আমাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আবার এটাকে শেষও করতে হবে। বসে থাকলে তো চলবে না।

মন্ত্রী আরও বলেন, জনস্বার্থের পাশাপাশি সীমান্ত নিরাপত্তা, পানি নিষ্কাশন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সীমান্ত সড়কের কাজ শেষ করা হবে। সড়কটি চালু হলে মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ এবং সীমান্তকেন্দ্রিক অপরাধ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সক্ষমতা বাড়বে।

এক দশকেও শেষ হয়নি নাফের বাঁধ প্রকল্প

এর আগে নাফ নদীর তীরবর্তী পোল্ডার ৬৭/এ, ৬৭/বি ও ৬৮-এর পুনর্বাসন প্রকল্প পরিদর্শন করেন মন্ত্রী। পরে সুবিধাভোগীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেন তিনি।

পরিদর্শন শেষে এ্যানি বলেন, “টেকনাফের মানুষ এখনো এ প্রকল্পের কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পায়নি। প্রকল্পের স্ট্রাকচার ও সমীক্ষা সঠিক না হওয়ায় দীর্ঘ বছরেও কাজ শেষ হয়নি।

সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আযাদ বলেন, স্লুইস গেট নাকি ব্রিজ-কী নির্মাণ করা হবে, তা স্থানীয় মানুষের মতামত ও সুবিধা বিবেচনায় নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই বিশেষজ্ঞ কারিগরি দল এলাকায় এসে পর্যালোচনা করবে।

২০১৭ সালে প্রায় ১৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হওয়া প্রকল্পটির ব্যয় বেড়ে ৪১৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে। সরকারি হিসাবে প্রকল্পটির অগ্রগতি ৫৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। প্রকল্পের আওতায় বাঁধ পুনর্বাসন, পানি নিষ্কাশন, খাল পুনঃখনন, সড়ক, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণের কাজ রয়েছে।

মতবিনিময় সভায় পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আযাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক রুহুল আমিন, সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা বিএনপির অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল্লাহ
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম অনীক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park