1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
সময় বাড়িয়েও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, হাঁটু পানি পেরিয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সময় বাড়িয়েও শেষ হয়নি সেতুর কাজ, হাঁটু পানি পেরিয়ে স্কুলে যাচ্ছে শিক্ষার্থীরা

মো: সালাউদ্দীন - দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ১০৯ বার পঠিত

মো: সালাউদ্দীন – দেবীগঞ্জ (পঞ্চগড়) প্রতিনিধি
পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে খড়খড়ি নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি। এক দফা সময় বাড়িয়েও এখনো ৭০ ভাগ কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ আশপাশের প্রায় ১০ হাজার মানুষ। বর্ষা শুরু হওয়ায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে স্থানীয়দের।

শুক্রবার (৮ মে) সরেজমিনে সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের উমেষের ডাঙ্গা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, সেতুর পিলার নির্মাণ শেষ হয়েছে। একটি স্প্যান বসানো হলেও ধীরগতিতে চলছে অন্য স্প্যানের কাজ। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নদীতে পানি বাড়তে শুরু করেছে। আগে চলাচলের জন্য সেতুর পাশে একটি বাঁশের সাঁকো থাকলেও নির্মাণকাজের সময় সেটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। ফলে স্থানীয়দের হাঁটুসমান পানি পেরিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন নারী,বয়স্ক ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, উপজেলার সোনাহার মল্লিকাদহ ইউনিয়নের উমেষের ডাঙ্গা এলাকার খড়খড়ি নদী পার হয়ে ইউনিয়নের ৪, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার বাদশা বাজার ও ভবানীগঞ্জ এলাকার হাজারো মানুষ প্রতিদিন চলাচল করেন। ইউনিয়ন পরিষদ, হাসপাতাল ও উপজেলা সদরে যাতায়াতের এটি অন্যতম সহজ পথ। এছাড়া শত শত শিক্ষার্থী প্রতিদিন এই নদী পার হয়ে বিদ্যালয়ে যায়।

সাদেক নামে দ্বিতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থী বলে, এখন নদীতে পানি বেড়েছে। স্কুলে যাওয়ার সময় অনেক কষ্ট হয়। কাপড় ভিজে যায়, পানির কারণে হাত-পা চুলকায়।

স্থানীয় যুবক মাজেদুল ইসলাম বলেন, দুই বছরের মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল, অথচ তিন বছর হয়ে গেল এখনো শেষ হয়নি। যাতায়াতের কোনো বিকল্প রাস্তা নেই। নদীতে পানি বেড়েছে, কষ্ট করে নদী পার হয়ে স্কুল-কলেজে যেতে হচ্ছে।

আলমগীর নামে এক ভ্যানচালক বলেন, পানি বেড়ে যাওয়ায় ভ্যান নিয়ে বাসায় যাওয়া যায় না। ফসল পারাপার করতেও অনেক কষ্ট হয়। বর্ষাকাল চলে আসছে, আপাতত একটা বাঁশের সাঁকো বানিয়ে দিলে চলাচল করতে সুবিধা হতো।

দেবীগঞ্জ উপজেলা এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ‘IRIDP-3’ প্রকল্পের আওতায় খড়খড়ি নদীর ওপর ৯০ মিটার দীর্ঘ একটি পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করা হচ্ছে। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ কোটি ৩০ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮৪ টাকা। নির্মাণকাজের দায়িত্বে রয়েছে চট্টগ্রামের মোহাম্মদ ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স লিমিটেড।

সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৮ অক্টোবর সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্ধেক কাজও সম্পন্ন করতে না পারায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়িয়ে ২০২৬ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়। কিন্তু বর্ধিত সময়সীমা শেষ হওয়ার দুই মাস অতিবাহিত হলেও এখনো সেতুর ৭০ ভাগ কাজও শেষ হয়নি।

চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর পরও প্রকল্পের কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যাওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংশ্লিষ্ট উপ-ঠিকাদার রাসেল ইসলাম বলেন, এই কাজটি মূলত বরিশালের এক ঠিকাদার পেয়েছিল। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকায় সরকার পতনের পর তিনি অনেক দিন কাজ বন্ধ রেখেছিলেন। পরে নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে আমাকে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে দেবীগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. শাহরিয়ার ইসলাম শাকিল বলেন, উমেষের ডাঙ্গায় নির্মাণাধীন সেতুর কাজ আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে শেষ করার চেষ্টা করছি। অতিবৃষ্টির কারনে সাময়িকভাবে যে দূর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে তা নিরসনের জন্য একটি অস্থায়ী সেতু করার ব্যবস্থা নিয়েছি।

দেবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সবুজ কুমার বসাক বলেন, এলাকাটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park