
তাসলিমা রত্না ময়মনসিংহ
তবে উপজেলায় প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে সাধারণ মানুষকে হয়রানি ও জিম্মি করে টাকা আদায় করা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপকর্মের মূলহোতা পতীত আওয়ামী লীগের সক্রিয় দোসর ওরফে টাউট ইকবাল ও রানা ৫ আগস্টের পর কিছুদিন আড়ালে থাকলেও ফের থানার দালালি কাজে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
স্থানীয় বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের চিহ্নিত থানার দালাল ৫ আগস্টের পর এখন আবারো ফের প্রশাসনের নাম ভাঙিয়ে নেতা পরিচয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় উঠেছে এই দুজন দালাল কে নিয়ে।
স্থানীয় ভুক্তভোগীদের ভাষ্যমতে…
ইকবাল ও রানা নিরহ মানুষদের জিম্মি করে লাখ লাখ টাকার মালিক বনেগেছেন।
প্রতিনিয়ত ত্রিশাল বাসস্ট্যান্ড সহ পৌরসভার বিভিন্নস্থানে সালিশ বসাচ্ছেন এই দুজন।
এিশাল থানায় আইনি সেবা নিতে আশা ব্যক্তিদের কৌশলে আটকিয়ে বাদী-বিবাদী উভয় পক্ষকে একসাথে বসিয়ে মীমাংসার নামে উভয় পক্ষের কাছ থেকে বিভিন্ন কৌশলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয় দুজন। এতে প্রায় বেশিরভা সময় দুই পক্ষই ক্ষতিগ্রস্ত হন।
ইকবাল ও রানার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনজন ভুক্তভোগী।
স্থানীয় বিএনপি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও ভুক্তভোগীদের দাবি- সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিশেষ করে ত্রিশাল থানা পুলিশের ভাবমূর্তি বঝায় রাখতে আওয়ামী লীগের দোসর ইকবাল ও রানা কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
ত্রিশাল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ হোসেন গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন,
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন, আইন-শৃঙ্খলা ও সমাজের চলমান সকল পরিস্থিতি নিয়ে পুলিশ, সাংবাদিক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষজন একসাথে কাজ করতে হবে।
সেই সাথে জনবান্ধব ও দালালমুক্ত থানা গড়তে সবার সহযোগিতা কামনা করছে।
তিনি আরো বলেন- থানায় সেবা গ্রহীতাদের কোনো প্রকার হয়রানি ছাড়াই সেবা দিতে তার অবস্থান নিশ্চিত করেন এবং দালাল মুক্ত, মাদকমুক্ত, বাল্যবিবাহ ও কিশোর গ্যাং রোধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।