
এম মনিরুল ইসলাম: শ্যামনগর থেকে
বিশ্বের দর্শনীয় মনোমুগ্ধকর স্থানগুলির তালিকায়, বাংলাদেশ ভারতের কিছু অংশ জুড়ে প্রকৃতির মমত্ববোধে গড়ে উঠেছে।বিশ্বখ্যাত ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন। প্রকৃতি আমাদের চরমভাবে সাহায্য করে থাকে। বিশেষ করে ঝড় জলোচ্ছ্বাস সহ নানা দুর্যোগে সুন্দরবন আমাদেরকে মায়ের মত আপন করে নেয় ।সৌন্দর্যের আরেক নাম সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ।দেখলেই যেন মন ভরে যায়। তথ্য অনুসন্ধানে প্রকাশ,সাতক্ষীরা তথা শ্যামনগর উপজেলার বৈচিত্র্যময় ভীষণ দর্শনীয় স্থানটি সুন্দরবন। সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত। বাকিটা ভারতের সীমানায়।এখানে রয়েছে বিভিন্ন সম্পদের পাহাড়।সময় অসময়ে সাধারণ জেলে বাওয়ালিরা মাছ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতিতে জীবিকা নির্বাহ করে। শুকনো মৌসুমে প্রচুর দেশি বিদেশি পর্যটক বৃন্দের আগমন ঘটে বন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায়। গতকাল মদনটাক” এই বিরল বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সুন্দরবনে অবমুক্ত অনুষ্ঠানে গিয়ে মনোমুগ্ধকর মায়াবী এই দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দি হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরে দর্শনীয় পিকনিক, ট্যুরিজম সেন্টার অনেকগুলো থাকলেও কিছু নিয়ন্ত্রিত, কিছু অনিয়ন্ত্রিত। মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনী থেকে পর্যটক বৃন্দ কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টার ভ্রমণ করে থাকেন। বন বিভাগ ও মৎস্য অধিদপ্তর কর্তৃক, আমেরিকান দাতা গোষ্ঠী,প্রতিবেশ বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ইকো ট্যুরিজম সিস্টেম চালু করেছেন। ইকো ট্যুরিজম একটি নিয়ন্ত্রিত ও রোমাঞ্চকর ভ্রমণ।যেখানে ভ্রমণকৃত ট্রলার গুলিতে একজন করে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত টুরিস্ট গাইড থাকবে। ভ্রমণকারীরা চোখের ভাষায় দেখবে।মনের ভাষায় সুন্দরবনের নানান জীববৈচিত্র্য অবারিত সবুজ লীলাভূমি, রয়েল বেঙ্গল টাইগার (বাঘ) কুমির বন্যশুকর বাণরের দল –
সহ মায়াবী চিত্রা হরিণী ভরপুর রয়েছে। খাঁটি মধু। নদীতে মৎসরাজির অবাধ বিচরণ। বনে রয়েছে না জানা কত কি?ভ্রমণ গাইড বিহীন সেটি অনিয়ন্ত্রিত ঝুঁকিপূর্ণ ভ্রমণ। সুন্দরবনের গুণ ।ডধতড বলে শেষ হবে না। বিশ্বের অমূল্য সম্পদ গুলির মধ্যে সুন্দরবনের বিকল্প নেই।বন বিভাগ কর্তৃক জানা যায়, একজন ইকোট্যুর গাইড সঙ্গে থাকলে খাবার ও অপ্রয়োজনীয় কোন দ্রব্যাদি নদীতে ফেলতে পারবে না। ফেলা যাবে না। কলাগাছিয়া ইকো ট্যুরিজম সেন্টারে ওঠার পূর্বে খাদ্য দ্রব্যাদি সঙ্গে নেয়া যাবে না। বানরের দল আক্রমণ করে, ক্ষতবিক্ষত করতে পারে। একজন ইকোট্যুর গাইড সুন্দরবন সুরক্ষিত রাখতে, সকল দায়িত্ব পালন করবেন।বনের আরো গভীরে অনুমতি বনবিভাগ না দেয়ার ফলশ্রুতিতে,কলাগাছিয়া সেন্টার আরো দর্শনীয় ও বিভিন্ন প্রজাতি রাখা সহ নতুন ভবন নির্মিত হতে চলেছে।মমতা ভালবাসার চিএ।হরিণ।