1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
হঠাৎ পৌরসভায় হানা চুঁচুড়ার বিধায়কের - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দিরাইয়ে প্রবাসীর কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সৎ ভাই-বোনসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে  মামলা সাতক্ষীরা জেলা সহ খুলনা বিভাগের সর্বোচ্চ সংখ্যাক জেলার দ্বায়িত্ব এখন এনসিপির প্রথম নারী সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিন ইরার কাঁধে। হরিপুর সীমান্তে ১৬৫ বোতল মদ উদ্ধার ময়মনসিংহ মেডিকেলের অব্যবহৃত সিরিঞ্জ-ক্যানুলা ময়লার গুদামে, উঠছে নানা প্রশ্ন সেন্টমার্টিনে বিদ্যুতের হাহাকার, দিনে মেলে মাত্র ৪ ঘণ্টা কয়েক দিন পরপর বাড়ে ইউনিটপ্রতি দাম ময়মনসিংহে বিজ্ঞান বিতর্ক উৎসবে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিলেন রেঞ্জ ডিআইজি গাজীপুরের কালীগঞ্জে ১২ বছরের শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ, আটক ৩ আলমডাঙ্গায় রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা মহাব্বত আলীর দাফন সম্পন্ন । পাবনায় ডিবি পুলিশের পৃথক অভিযানে ৫ আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ৪ বিয়ের নামে অভিনব প্রতারণা, নিজের স্ত্রী’কে কখনো মেয়ে কখনো ভাইঝি বলে একাধিক বিয়ে দেন স্বামী! কৌশলে হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা।

হঠাৎ পৌরসভায় হানা চুঁচুড়ার বিধায়কের

বেবি চক্রবর্তী ভারত প্রতিনিধি :
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৭২ বার পঠিত


বেবি চক্রবর্ত্তী: হুগলী :-
ওয়ার্ক কালচার’ বা কাজের পরিবেশ ঠিক নেই পুরসভায়, তাই ছ’য় কোটি টাকা কর আদায় বাকি। এমনটাই দাবি, বিধায়ক অসিত মজুমদারের। তাই কাজের পরিবেশ ঠিক করাতে মঙ্গলবার সকালে আচমকা পুরসভায় হাজির হন। আর তা দেখেই রেগে আগুন চেয়ারম্যান। পুরসভায় চলল টানটান নাটক। পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের পুর পারিষদ জয়দেব অধিকারীর সঙ্গে তীব্র বিতণ্ডায় জড়ালেন চেয়ারম্যান।অবাক হয়ে দেখলেন পুরসভার কর্মীরা।রীতিমতো অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল পুরসভায়। জঞ্জালে ভরে ছিল গোটা শহর। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে রাজ্য সরকার তিন কোটি টাকা দেওয়ায় আজ সেই বকেয়া বেতন দেওয়া হবে কর্মীদের। তবে আগামী মাসগুলোতে কী ভাবে বেতন দেওয়া হবে, তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে পুরসভা। মাসে দেড় কোটি টাকা প্রয়োজন পুরসভার। সেই টাকার সংস্থান করতে হলে পুরসভার কর আদায়ে জোর দিতে হবে।চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারের অভিযোগ, পুরসভার ওয়ার্ক কালচার ঠিক নেই বলে গত ৮ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকা কর আদায় বাকি পড়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় পুরসভার কাজের পরিবেশ ফেরানো খুব জরুরি। তাই নিজে খাতা নিয়ে পুরসভার কর্মীদের এদিন সই করান বিধায়ক।বিধায়ক বলেন, আমি অনেকদিন থেকে পুরসভার ওয়ার্ক কালচার ফেরাতে চাইছি। না পারলে কর্মীদের বেতন দেওয়া যাবে না। ১০ লক্ষ টাকা এখন পুরসভায় আছে, মাস শেষ হলেই দেড় কোটি টাকা লাগবে। কোথা থেকে আসবে টাকা, সেটা ভাবতে হবে।

বিধায়কের এই পুরসভা নিয়ে সক্রিয়তায় আপত্তি জানিয়েছেন চেয়ারম্যান অমিত রায়ের। অমিত রায় বলেন, “এটি একটি স্বশাসিত সংস্থা। এখানে বিধায়কের কোনও কাজ নেই। তবুও তিনি কেন করছেন জানিনা। কেন এসেছিলেন তাও জানিনা। পুরসভার কর্মীরা সময়ে আসেন, কাজ করেন। কর আদায় সেই কর্মীরাই করবে, বাইরের লোক করবে না।”

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park