1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
নবীগঞ্জে ২য় স্ত্রীর কুপরামর্শে ১ম স্ত্রীকে হত্যা ও ধর্ষণের অপচেষ্টা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আলমডাঙ্গায় ৩০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী খালিদ গ্রেফতার জনগণের ভালোবাসা নিয়ে এগোতে চান ব্রহ্মরাজপুরে নির্বাচনী পথসভায় : নুরুল ইসলাম টেকনাফে মানবপাচারকারীদের সঙ্গে গোলাগুলি, সেনাসদস্য মো.তিতাস শেখ নিহত সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত। চুয়াডাঙ্গায় তৃতীয়বারের মতো জামায়াতের জেলা আমির হিসেবে রুহুল আমিনের শপথ পাঁচবিবিতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন মোহাম্মদগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী আবিদ আলীর মৃত্যুতে বনিক সমিতির শোকসভা ও দোয়া মাহফিল  ​সাতক্ষীরা সীমান্তে ৫ লাখ টাকার চোরাচালান ও মাদক জব্দ, আটক ১ বেলকুচিতে মাদকের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার আহ্বানে, বিক্ষোভ মিছিল পাঁচবিবিতে বিজিবির অভিযানে প্রায় ৩ কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ও মূর্তিসদৃশ বস্তু জব্দ

নবীগঞ্জে ২য় স্ত্রীর কুপরামর্শে ১ম স্ত্রীকে হত্যা ও ধর্ষণের অপচেষ্টা

নবীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২১৪ বার পঠিত

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:

নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে ২য় স্ত্রীর কুপরামর্শে যৌতুক এর লোভে স্বামী মোঃ ইকবাল হোসেন ১ম স্ত্রী মুন্নি আক্তার নামে এক গৃহবধূকে ধর্ষণ ও হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বাউসা ইউনিয়নের দক্ষিণ ইমামবাঐ গ্রামের মৃত পাখি মিয়ার কন্যা সন্তান মুন্নি আক্তার বাদী হয়ে ব্রাক অফিসে একটি মামলা দায়ের করেন। এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। মামলা ও অভিযোগে স্বামী বাউসা ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের আয়ফর উদ্দিন এর পুত্র ইকবাল হোসেন (৩১), জুনেদ মিয়া (৩৭), ও ২য় স্ত্রী পানিউমদা ইউনিয়নের সাতাইহাল গ্রামের ফজলু মিয়ার কন্যা সন্তান সাবিহা আক্তার শিমু (২৪), দৌলতপুর গ্রামের জুনেদ মিয়ার স্ত্রী সুমি বেগম (৩৪), এর বিরুদ্ধে যৌতুক এর জন্য হত্যা ও ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ বিষয়ে মুন্নি আক্তার এই প্রতিবেদককে জানান, আমার স্বামী ইকবাল ও উল্লেখিত সকল অভিযুক্তরা টাকা পয়সার লোভে আমাকে ধর্ষণ করে হত্যা করার পরিকল্পনা করে। তাদের অত্যাচারে আমি অতিষ্ঠ হয়ে ব্রাক অফিস ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বানিয়াচং ক্যাম্পে অভিযোগ দায়ের করি। ২০১৮ সালে আমার স্বামী কোর্টে এফিডেভিট করে আমাকে বিবাহ করে। পরে আবার সামাজিক ভাবে ২০২০ সালে কাবিন রেজেষ্টার করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরে আমার স্বামী ইকবাল হোসেনের বেকারত্ব ও সংসারের অভাব অনুটন এর কারণে আমাকে সৌদি আরব এ পাঠিয়ে দেয়। পরে আমি ২০২৩ সালে (১৫ নভেম্বর) এ আমার দেশে আসার খবর শুনে আমার স্বামী ইকবাল আমাকে ঢাকা শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে রিসিভ করে বাড়িতে নিয়ে আসার কথা থাকলেও ঢাকা খিলগাঁও এলাকায় বাসা ভাড়া করে ৩ মাস বসবাস করার পরে তার চাচাতো বোনের বাসায় এনে রাখে। হঠাৎ একদিন আমাকে না জানিয়ে আমার অগোচরে তার বাড়িতে চলে যায়। পরে আমি বাসায় আসার জন্য কল দিলে জানতে পারি আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য সাবিহা আক্তার শিমু , সুমি ও জুনেদ মিলে কিছু দূর্নীতিবাজ মানুষের ও পরিবারের লোকজন মিলে শলাপরামর্শ করে। আমার সাথে প্রতারণা করে ১৫ লক্ষ টাকার একটি স্ট্যাম্প তৈরি করে। আমার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করার জন্য নানান ধরনের মিথ্যা অপবাদ দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর জন্য মূলত এ স্ট্যাম্প তৈরি করা হয়।, এ বিষয়ে আমি আমার স্বামী ইকবাল হোসেনের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি আমাকে বলেন তুমি যদি আমার সাথে সংসার করতে চাও তাহলে তোমাকে ১৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে। যদি না দিতে পারো তাহলে সংসার করা সম্ভব না। আমি তোমাকে ছাড়তে বাঁধ্য হব। শুধু তাই নয় বরং ইকবাল হোসেন এর ২য় স্ত্রী মুন্নি আক্তারকে নানান ধরনের হুমকি দিয়া নানান ধরনের নোংরা কথাবার্তা বলে গালিগালাজ করে এবং ইকবাল ও মুন্নির পার্সোনাল পিক ভিডিও সোশাল নেটওয়ার্ক এ ছেড়ে দেবার জন্য দিনের পর দিন ভয় দেখিয়ে তাকে চুপ থাকার জন্য হুমকি দেওয়া দেয় । মুন্নি আক্তার আরো বলেন, এদিকে আমার স্বামী ইকবাল হোসেন কে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য দিনের পর দিন বছরের পর বছর আমাকে প্রবাসে থাকতে হচ্ছে এবং প্রতি মাসে থাকে টাকা না দিলেই ঝামেলা সৃষ্টি করে। শুধু তাই নয় যখনই আমি দেশে আসার কথা বলি সংসারের কথা বলি তখনই ওনার অভাব অনুটন দেখিয়ে আমাকে দেশে আসা থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করে। তালাক এর হুমকি দিয়ে আমাকে ভয় দেখিয়ে টাকা পয়সা নেওয়ার চেষ্টা করে। শুধু তাই নয় বরং আমার থেকে আমার কাবিন নামা নেওয়ার জন্য ধর্ষনের হামলা করানো হয়। ভয় দেখানো হয় আমার ঘর তার চাচাতো বোন কে দিয়ে লুটপাট করানো হয়। এমন কি আমাকে গুম এবং খুন করার পরিকল্পনা করা হয় । কিন্তু হঠাৎ এক এক করে আমার স্বামী ইকবাল হোসেন এর আসল রুপ সামনে আসে । আমি জানাতে পারি জুনেদের শালি সাবিহা আক্তার শিমু মেয়েটির সাথে পরকীয়া লিপ্ত হয়ে ধরা খেয়ে তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়। আমার স্বামী আমার সঙ্গে প্রতারনা করে আমার ইনকাম এর প্রায় ১২ লক্ষ এর বেশি টাকা আত্মসাৎ করে। আমার স্বামী আমার জীবন নষ্ট করে আমাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করছে। সব কিছুর প্রমান ও নষ্ট করার চেষ্টা করে যাচ্ছে। যদি আজ আমার মাথার উপরে বাবা ভাইয়ের ছায়া থাকতো তাহলে হয়তো আমার সাথে এসব করার সাহস আমার স্বামী ও স্বামীর পরিবার করতে পারতো না।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park