1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
সরকারী নির্দেশনা অমান্য করেই জামান এগ্রো ফার্ম থেকে জৈব সার যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায় - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মিলল না অনুমতি, টিকিট কেনার পরও বৃহস্পতিবার যাওয়া যাচ্ছে না সেন্টমার্টিন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভৈরব নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উলিপুরে দলদলিয়া নাগরিক ফোরামের ৭ম বর্ষে পদার্পণ,আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ আহত ২০ সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর উদ্বোধন, শিবিরের শুভেচ্ছা। চুয়াডাঙ্গায় ১০১ পিস বুপ্রেনরফিন উদ্ধার মামলায় আসামির যাবজ্জীবন সেন্টমার্টিনে ৩০০ হোটেল, ফায়ার ছাড়পত্র শূন্য! পাঁচবিবিতে দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন পত্রিকার প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ​সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’ পত্রিকার শুভ উদ্বোধন। নারী পুরুষ সমান অধিকার না-কি বৈষম্য বিভেদ আর অশান্তির আস্তা কুড়ে ঘর।

সরকারী নির্দেশনা অমান্য করেই জামান এগ্রো ফার্ম থেকে জৈব সার যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায়

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৭৬ বার পঠিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম
চুুয়াডাঙ্গা জেলা প্রতিনিধি

অন্যের প্যাকেটে জৈব সার প্যাকেটজাত, মজুত এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পণ্য পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের হোলডাঙ্গা গ্রামের মেসার্স জামান এগ্রো ফার্মের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ রয়েছে, নিজস্ব এলাকার মধ্যে সার বিক্রির কথা বলা হলেও নিয়মিত ট্রাকভর্তি করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পাঠানো হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদিত জৈব সারসদৃশ পণ্য।

গত ১৪ই আগস্ট শুক্রবার জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তদারকি অভিযানে প্রতিষ্ঠানটিতে অন্যের প্যাকেটে জৈব সার প্যাকেটজাত করে মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়।

এ ঘটনায় প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোছা. হাফিজা খাতুনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে লাইসেন্স গ্রহণ করে নিজস্ব প্যাকেটে পণ্য বাজারজাতের নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে অভিযোগ, জরিমানা ও নির্দেশনার পরও কার্যক্রম বন্ধ হয়নি।

সর্বশেষ শুক্রবার সন্ধ্যায় কারখানার সামনে একটি ট্রাকে সাদা বস্তায় প্রায় ২০ টন জৈব সারসদৃশ মাটি লোড করতে দেখা যায়। পরে ট্রাকটি রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হয় বলে জানা গেছে।

এলাকাবাসীর ভাষ্য, প্রতিষ্ঠানটির মালিক মোছা. হাফিজা খাতুনের স্বামী সেনাবাহিনীতে কর্মরত। তিনি ছুটিতে বাড়িতে এলে প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা ও কার্যক্রম নিজেই দেখাশোনা করেন। স্থানীয়দের দাবি, শুক্রবার সন্ধ্যাতেও তাকে কারখানায় উপস্থিত থেকে ট্রাকে পণ্য তোলার কার্যক্রম দেখাশোনা করতে দেখা গেছে।

এতে সরকারি সংস্থার অভিযান, জরিমানা ও স্পষ্ট নির্দেশনার পরও কীভাবে একই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, নির্দেশনা অমান্য করে এসব পণ্য জেলার বাইরে পাঠানোর অভিযোগ পুনরায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park