1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ধসে পড়ল কুতুবদিয়ার লেমশীখালী–কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ; চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​সাতক্ষীরায় সাড়ে ৩ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালানি মালামাল জব্দ। সপ্তমবারের মতো সিরাজগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমির নির্বাচিত শাহিনুর আলম রাণীশংকৈলে ৭ নভেম্বর উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা, নেওয়া হলো কর্মসূচি কুড়িগ্রাম রাজারহাটে প্রকল্প বাস্তবায়নে শতভাগ স্বচ্ছতা চান ইউএনও শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের যুগ্ম সদস্য সচিব এর বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলায় ,জগন্নাথপুর সাংবাদিক ফোরামের নিন্দা ও প্রতিবাদ সাতক্ষীরায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারীর মৃ\ত্যু। নাটোরের নলডাঙ্গায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও স্বর্ণ ব্যবসায়ী দম্পতি বিচারের দাবীতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর কেবিনে সন্দেহজনকভাবে প্রবেশ, আটক যুবক দিনভর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে আগামীকাল সেন্টমার্টিন যাচ্ছে একটি জাহাজ বাকেরগঞ্জের কৃতিসন্তান ড. এস.এম. মাহফুজুর রহমান বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমীর

ধসে পড়ল কুতুবদিয়ার লেমশীখালী–কৈয়ারবিল সংযোগ সেতু, বিচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ; চরম দুর্ভোগে হাজারো মানুষ।

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ৬ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৭ বার পঠিত

সুমন চন্দ্র দে, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি:

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী ও কৈয়ারবিল ইউনিয়নের সংযোগকারী পিলটকাটা খালের ওপর নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ সেতুর একটি অংশ ধসে পড়েছে। এতে দুই ইউনিয়নের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গেছে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

৬ জুলাই (সোমবার) সকালে হঠাৎ সেতুর একটি অংশ ভেঙে পড়ে। দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সেতু দিয়ে সব ধরনের যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয়দের জানান, প্রতিদিন এই সেতু ব্যবহার করে হাজারো মানুষ যাতায়াত করেন। সেতুটি ধসে পড়ায় শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও রোগীদের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, মাছ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনেও দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংকট। এ ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণ অথবা বিকল্প চলাচলের ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধুমাত্র বৃষ্টির কারণে একটি সঠিকভাবে নকশা ও নির্মিত সেতু ধসে পড়ার কথা নয়। তবে টানা ভারী বর্ষণে খাল বা নদীর পানির প্রবাহ বৃদ্ধি পেলে পিলারের নিচের মাটি সরে যেতে পারে, যাকে প্রকৌশলবিদ্যায় স্কাওর (Scour) বলা হয়। এতে সেতুর ভিত্তি দুর্বল হয়ে কাঠামোগত ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।

এ ছাড়া দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণের অভাব, রডে মরিচা, কংক্রিটে ফাটল, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী, নকশাগত ত্রুটি, নির্মাণে অনিয়ম কিংবা ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত ওজনের যানবাহন চলাচলের মতো কারণও সেতু ধসের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। ভারী বৃষ্টি এসব বিদ্যমান দুর্বলতাকে আরও ত্বরান্বিত করতে পারে।

তবে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীদের মতে, সেতুটি ঠিক কী কারণে ধসে পড়েছে, তা নিশ্চিত হতে প্রকৌশলগত তদন্ত ও ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত বিশ্লেষণ প্রয়োজন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park