1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদী গর্ভে বিলীন গ্রামীন সড়ক ভোগান্তিতে জনসাধারণ   - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়ন সংগ্রহ এবং জমা দান বিএনপির জন্ম দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার প্রয়োজনে – পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী পাঁচবিবিতে ব্যানারে জিয়াউর রহমানের ছবি না রাখায় বিএনপি নেতার ক্ষোভ সমবায়ের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করে সুখী সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভবঃ রুহুল কবির রিজভী এনায়েতপুরের বেতিল মহাশ্মশানের নব-নির্মিত চুলা ও ঘরের সেড এর ফলক উন্মোচন জগন্নাথপুরে ৫৫ তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন ত্রিশালে ভেজাল পশুখাদ্য তৈরির প্রতিষ্ঠানে অভিযান, ৪০ হাজার টাকা জরিমানা এবার গাইবান্ধায় পরীমনিকে বয়কটের ঘোষণা, সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ প্রথম ধাপে ১০৫০ ইউপিতে ভোট, সদর উপজেলার ইউনিয়নগুলোকে অগ্রাধিকার: ইসি সচিব জগন্নাথপুরে শ্রী শ্রী কালীপূজা ও দীপাবলি উপলক্ষে শিশুদের বর্ণাঢ্য চিত্রান্কন প্রতিযোগীতা

জগন্নাথপুরে কুশিয়ারা নদী গর্ভে বিলীন গ্রামীন সড়ক ভোগান্তিতে জনসাধারণ  

মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৭২ বার পঠিত

মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

জগন্নাথপুর উপজেলায় কুশিয়ারা নদীতে ভাঙ্গনের কারনে শিবগঞ্জ বেগমপুর সড়কটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার কারনে শিবগঞ্জ-বেগমপুর সড়কে ৬ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে সরাসরি যান চলাচল। 

এতে  উপজেলার দুটি ইউনিয়নের প্রায় ২৫/ ৩০টি গ্রামের মানুষ দুর্ভোগ পড়েছেন।।
বিগত বছরের আগস্ট মাসে টানা বৃষ্টি এবং পাহাড়ি ঢলের প্রভাবে ভাঙন শুরু হয় কুশিয়ারা নদীর তীরসংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায়। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় স্থানীয় সড়ক। এর মধ্যে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিবগঞ্জ-বেগমপুর সড়ক। এ সড়কের অধিকাংশ জায়গা বিলীন হয়েছে নদীতে।
জগন্নাথপুরের অলৈতলী ভাঙাবাড়ি নামক স্থানে গিয়ে দেখা যায়, কুশিয়ারা নদীর পার এলাকায় সড়কটির একাংশ বিলীন হয়ে গেছে। এক পাশে যে সরু অংশটুকু টিকে আছে, সেটি ব্যবহার করে হেঁটে চলাচল করছে মানুষ। বন্ধ রয়েছে সব ধরনের যানবাহন চলাচল।

জানা যায়, বিগত বছরের আগস্টে টানা বৃষ্টির ফলে পানি বেড়ে যায়। এ সময় উজান থেকে নেমে আসা ঢলে জগন্নাথপুর-বেগমপুর সড়ক ডুবে যায়। পরে বন্যার পানি নেমে গেলেও অব্যাহত থাকে কুশিয়ারা নদীর ভাঙন। এক পর্যায়ে স্থানীয় সড়কের বড় একটি অংশ নদীতে বিলীন হয়।

ক্ষতিগ্রস্ত এ সড়কের কারণে উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের জালালপুর, খানপুর, আলীপুর, নতুন কসবা, গোতগাঁও, সোনাতলা, কদমতলা, মশাজান, কাতিয়া, অলৈতলী আলাগদি এবং আশারকান্দি ইউনিয়নের কালনিচর, আটঘর, খালাইনজুড়া, মিলিক, বড়ফেচি, ছোট ফেচিসহ প্রায় ৩০ গ্রামের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। কারণ, উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ সড়ক। এ ছাড়াও সড়কটি ব্যবহার করে বেগমপুর হয়ে সিলেটের বিভিন্ন অঞ্চলসহ ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে উপজেলাবাসী। 
কাতিয়া গ্রামের সেলিম খান বলেন, বন্যা ও নদীভাঙনের কবলে পড়ে গত ৬ মাস ধরে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। যে কারণে দুই ইউনিয়নের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে রয়েছেন। কোনো কাজের জন্য অন্য কেউ বাইরে থেকে আসতে গেলেও পড়ছেন বিপত্তিতে। 
কসবা গ্রামের সাবলু মিয়া জানান, এ সড়ক দিয়ে প্রতিনিয়ত তাদের উপজেলা সদরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়। এছাড়া এ সড়ক দিয়ে বেগমপুর হয়ে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন বিভিন্ন গ্রামের মানুষ। গত ৬ মাস ধরে এ সড়ক দিয়ে সরাসরি কোনো ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারছে না।
পাইলগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) নজমুদ্দিন জানান, বন্যার ঢল আর কুশিয়ারার ভাঙনে গ্রামীণ সড়কটি ভেঙে বিলীন হয়ে গেছে। নদীতে চলে যাওয়ায় ৫০০ থেকে ৬০০ ফুট দূরত্ব হেঁটে চলাচল করতে হচ্ছে। একটি সূত্র জানায়, দু-তিন দিন আগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে বিকল্প রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এলজিইডি প্রকৌশলী সোহরাব হোসেন জানান, নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধানে পাউবোর উদ্যোগে প্রকল্পের কাজ চলছে। উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান সহকারী প্রকৌশলী সবুজ কুমার শীল বলেন,  হাওরের ফসলরক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হলেই চলাচলে সুবিধা পাবে এলাকাবাসী।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park