1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় নামের মিল থাকায় নিরপরাধ সিপাহির সাজা! - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
​সাতক্ষীরায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত: আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ। জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সাতক্ষীরা জেলা জাসাসের বর্ণাঢ্য র‍্যালি সাতক্ষীরা সরকারি কলেজে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা সভা পাঁচবিবিতে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন জেলা তথ্য অফিসারের সাথে বি.ডি.এফ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় নামের মিল থাকায় নিরপরাধ সিপাহির সাজা!

আফাজ উদ্দিন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১৪৬ বার পঠিত

আফাজ উদ্দিন
জেলা প্রতিনিধি

বিডিআর বিদ্রোহ মামলায় নামের মিল থাকায় নিরপরাধ সিপাহির সাজা সেই প্রসঙ্গে সিপাহী মোঃ হারুন মিয়ার বাবা জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন বিডিআর হত্যাকান্ড ২০০৯ খ্রিস্টাব্দ,ঢাকা ব্যাটলিয়ন (৫বিজিবি) পিলখানা ঢাকা-১২০২  বরারে একটি দরখাস্ত করেন,
সিপাহীর বাবা সিদ্দিক মিয়া জানান,আমার ছেলে
৭৮০৬৭ সিপাহী হারুন মিয়া,১২ ব্যাটেলিয়ান রাজনগর হাঙ্গামাটি সংযুক্ত রাইফেলস ক্রীড়া বোর্ড (RSB) পিলখানা ঢাকায় গত ১০ অক্টোবর ২০০৮ তারিখ তীর ধনুক খেলার জন্য রাঙ্গামাটি হতে (RSB) পিলখানা ঢাকায় আসে। গত ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯ তারিখ ঘটনার পর ২২ শে মার্চ ২০০৯ তারিখ সিআইডি কর্তৃক গ্রেফতার হয়। পরবর্তীতে আমার ছেলেকে হত্যা মামলার আসামি করা হয় আসামি নাম্বার ২৭৪। হত্যা মামলার আসামির মধ্যে তিনজনের নাম উল্লেখ করছি যারা আমার ছেলের সাথের (RSB) এর সৈনিক। আসামি নং ২৭২ সিপাহী  রাশেদুল ইসলাম আসামি নং ২৭৩ মোশারফ হোসেন আসামি নং ২৭৪ সিপাহী হারুন মিয়া (আমার মেলে) ও আগামি নং ২৭৫ সিপাহী তারিকুল ইসলাম। ওরা চার জন একদিনে গ্রেফতার একদিনের রিমান্ড একই রকম অভিযোগ আসামি নাম্বার ও পাশাপাশি। রায়ের আগ পর্যন্ত মামলার যত কাগজপত্র রয়েছে চার জনের একই রকম। তাহলে রায়তো একই রকম হওয়ার কথা কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমার ছেলের যাবজ্জীবন সাজা হয় আর ওরা তিনজন খালাস পায় ওদের নামে কোন সাক্ষী নাই আমার ছেলের নামেও কোনো সাক্ষী নাই। রায়ের পরে রায়ের কাগজ সংগ্রহ করে দেখি। মেজর ইশতিয়াক আহমেদ খান ২৪ ব্যাটালিয়নের চালক হারুনের নামে সাক্ষ্য দিয়েছে। মেজর ইশতিয়াক আহমেদ খান ২৪ ব্যাটেলিয়নের অফিসার তিনি তার গাড়ির চালক হারুনের নামে সাক্ষী দিয়েছে। সেই সাক্ষর রেফারেন্স আমার ছেলেকে সাজা দিয়েছে। আমার ছেলে ১২ ব্যাটেলিয়ানের সিপাহী হারুন বাড়ি গোয়াইনঘাট, সিলেট। সাক্ষী তার জবানবন্দীতে বলেছে আমি হারুন কে ভালোভাবে চিনি ২৪ ব্যাটালিয়নের চালক তার বাড়ি পৈলকুপা। উক্ত হারুনের আসামি নং ৬৫ রেজিমেন্ট নাম্বার ৬৭৫৪০ চালক হারুন ২৪ ব্যাটালিয়ন তায় বাড়ি শৈলকূপা, ঝিনাইদহ। আমার ছেলের আসামী নং ২৭৪ রেজিমেন্ট নাম্বার ৭৮০৬৭ সিপাহী হারুন ১২ ব্যাটেলিয়ান তার বাড়ি ভিত্রিখেল হাওর, গোয়াইনঘাট, সিলেট।
সিপাহী  হারুনের পিতা,মাতা জানান,আমাদের একমাত্র ছেলে সন্তান ওর জন্য দীর্ঘ ১৬ বছর কাঁদতে কাঁদতে আমরা অসুস্হ হয়ে পড়েছি। এখন আল্লাহ ছাড়া আমাদের আর দেখার কেউ নেই। তাই উপরোক্ত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে সিপাহী হারুন কে তাদের বুকে ফিরে পেতে ও দেশ মাতৃকার সীমান্ত পাহারা দেবার মহান দায়িত্ব পালন করার সুযোগ  দিতে অনুরোধ জানান,
তার সাথে দেশবাসীর কাছে দোয়া চান যাতে সিপাহী হারুন পুনরায় দেশের সেবার নিয়োজিত হতে পারে,

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park