
মো:কোরবান আলী রিপন, উল্লাপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি :
সিরাজগঞ্জ জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী মোট ৩৯ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এসব প্রতীক বরাদ্দ দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম সান্ত, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আমিনুর রহমানসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা।
সিরাজগঞ্জ-১ আসন
এই আসনে ৬ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
প্রার্থীরা হলেন—
গণ অধিকার পরিষদের মোছা. মল্লিকা খাতুন (ট্রাক), জাতীয় পার্টির মো. জহুরুল ইসলাম (লাঙল), নাগরিক ঐক্যের মো. নাজমুস সাকিব (কেটলি), জামায়াতে ইসলামীর মো. শাহীনুর আলম (দাঁড়িপাল্লা), বিএনপির মো. সেলিম রেজা (ধানের শীষ) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আব্দুস সবুর (ঘোড়া)।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৬৭২ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫৫৫ এবং পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৯৫ হাজার ১১৭ জন।
সিরাজগঞ্জ-২ আসন
এ আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীরা হলেন—
বিএনপির ইকবাল হাসান মাহমুদ (ধানের শীষ), বাসদের এস এম আব্দুল্লাহ আল মামুন (মই), জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম (দাঁড়িপাল্লা), গণ অধিকার পরিষদের মো. মাহফুজুর রহমান (ট্রাক), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. আনোয়ার হোসেন (কাস্তে), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মুহিব্বুল্লাহ (হাত পাখা) এবং জনতার দলের মো. সোহেল রানা (কলম)।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪ হাজার ৫০৭ জন। নারী ভোটার ২ লাখ ১ হাজার ৭৮৪ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২ হাজার ৭২৩ জন।
সিরাজগঞ্জ-৩ আসন
এই আসনে ৪ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তারা হলেন—
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহা. আব্দুর রউফ সরকার (রিকশা), বিএনপির মো. আয়নুল হক (ধানের শীষ), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ রেজা রবিন (ঘোড়া) এবং জাতীয় পার্টির মো. ফজলুল হক (লাঙল)।
এ আসনে মোট ভোটার ৪ লাখ ১৪ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ৬ হাজার ৩৭৫ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৮ হাজার ৪৬৮ জন।
সিরাজগঞ্জ-৪ আসন
এ আসনে ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীরা হলেন—
ইসলামী আন্দোলনের আব্দুর রহমান (হাত পাখা), বিএনপির এম আকবর আলী (ধানের শীষ), বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. আব্দুল হাকিম (কাস্তে), জামায়াতে ইসলামীর মো. রফিকুল ইসলাম খান (দাঁড়িপাল্লা) এবং জাতীয় পার্টির মো. হিল্টন প্রামানিক (লাঙল)।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৪৪১ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ১৬ হাজার ২৮৫ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ১৫৬ জন।
সিরাজগঞ্জ-৫ আসন
এই আসনে মোট ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
তারা হলেন—
ইসলামী আন্দোলনের নুরুন নাবী (হাত পাখা), জাতীয় পার্টির এম আকবর হোসেন (লাঙল), বিএনপির আমিরুল ইসলাম খান (ধানের শীষ), জামায়াতে ইসলামীর মো. আলী আলম (দাঁড়িপাল্লা), গণ অধিকার পরিষদের মো. ইউসুফ আলী (ট্রাক) এবং বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মো. মতিয়ার রহমান (কাস্তে)।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৯৮ হাজার ৬৬১ জন। নারী ভোটার ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৭৯ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪ হাজার ৩৮২ জন।
সিরাজগঞ্জ-৬ আসন
এই আসনে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
প্রার্থীরা হলেন—
এবি পার্টির আবু জাফর মো. আনোয়ার সাদাত (ঈগল), জেএসডির ইলোরা খাতুন (তারা), বিএনপির এম এ মুহিত (ধানের শীষ), ১০ দলীয় জোট মনোনীত এনসিপির প্রার্থী এস এম সাইফ মুস্তাফিজ (শাপলা কলি), ইসলামী আন্দোলনের মিসবাহ উদ্দিন (হাত পাখা), বাসদের মো. আনোয়ার হোসেন (মই), আমজনতার দলের মো. আসাদুল হক (প্রজাপতি), জাতীয় পার্টির মো. মোক্তার হোসেন (লাঙল), ইসলামী ফ্রন্টের মোশারফ হোসেন শহীদুল (মোমবাতি), স্বতন্ত্র প্রার্থী ওয়াসেক ইকবাল খান মজলিস (হেলিকপ্টার) এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হুমায়ুন কবির (ঘোড়া)।
এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৩৭৯ জন। এর মধ্যে নারী ভোটার ২ লাখ ২৪ হাজার ৫৮৭ এবং পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩১ হাজার ৭৯২ জন।
প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।