1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
সাতক্ষীরায় সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, নেই কোন সংস্কারের উদ্যোগ। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

সাতক্ষীরায় সড়কে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, নেই কোন সংস্কারের উদ্যোগ।

জামাল উদ্দীন
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫
  • ১২৯ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার জামাল উদ্দিন সাতক্ষীরা থেকেঃ

১২ই জানুয়ারি রবিবার
সাতক্ষীরা জেলার সাতক্ষীরা টু শ্যামনগর,মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের অবস্থা এমন খারাপ পর্যায়ে নেমে গিয়েছে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় কেউবা প্রাণ হারাচ্ছে, কেউবা হারাচ্ছে তাদের বিভিন্ন অঙ্গ।দুর্ঘটনায় অঙ্গ হারিয়ে প্রতিবন্ধী হিসেবে জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে এইসব দুর্ঘটনার কবলে পড়া সাধারণ মানুষ। দুর্ঘটনায় কবলিত মানুষগুলো চিকিৎসা সহ সংসার চালাতে তাদের শেষ সম্বল টুকু বিক্রি করে অসহায়ের জীবন যাপন করতে বাধ্য হচ্ছে। বাধ্য হয়ে সংসার চালানোর জন্য ভিক্ষাবৃত্তিতে নামতে হচ্ছে অনেককে। ছেলে মেয়েকে মানুষ করা তো দূরের কথা, তাদের দিয়েও সংসার চালানোর জন্য,অর্থের প্রয়োজনে, অর্থ উপার্জনের জন্য ছোট ছোট বাচ্চা ও ছেলে মেয়েদের বিভিন্ন কাজে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে বাবা-মা। শিশুশ্রম আইনে বাচ্চাদের কাজে লাগানোর বিধি নিষেধ থাকলেও আইন কে মানতে পারছে না জীবনের কাছে হার মানায় মানুষগুলো। আর তার একটিমাত্র কারণ হলো মহাসড়কের বেহাল অবস্থা, খানাখন্দে পরিণত, মোড়ে মোড়ে যাত্রী ছাউনি সহ সরকারি জায়গায়, অবৈধভাবে জায়গা দখল করে ক্ষমতার বলে দোকানপাট তৈরি করে যানজটের সৃষ্টি করছে। এভাবে অবৈধ দখল করে দোকানপাট তৈরীর করার কারণে দুর্ঘটনার আরও একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।সাতক্ষীরা বাসীর দাবি সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর,মুন্সিগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে সরকারি জায়গায় ও যাত্রী ছাউনি দখল করে ক্ষমতা বলে অবৈধ দোকানপাট তৈরি করে যানজটের সৃষ্টি করছে, সেগুলোকে উচ্ছেদ করা সহ তাদের আইনের আওতায় আনা অতীব জরুরী বলে মনে করেন।
সাতক্ষীরা শ্যামনগর টু এ মহাসড়কে যাত্রীবাহী গাড়ি, বিভিন্ন রকমের পণ্য গাড়ি, ২৪ ঘন্টা অনবরত চলতে থাকে। সাথে অবৈধ থ্রি হুইলার, ইঞ্জিন চালিত ভ্যান, ইজি বাইক ও মোটরসাইকেল সহ ইটভাটায় ব্যবহার করার জন্য অবৈধ টলি দিয়ে মাটি বহন এই রাস্তা দিয়েই করে থাকে। মহাসড়কের পাশে ইটভাটা হওয়ার কারণে এইসব মাটি বহনকারী টলি থেকে নিয়মিত মহাসড়কে মাটি পড়তে থাকে। এইসব মাটি পড়ার কারণে প্রচন্ড কুয়াশায় এই মাটিগুলোতে পানি পড়াতে মাটিগুলোর কাদায় পরিণত হয়ে থাকে। আর যখনই কোন একটি বাইক ওই মাটির উপরে ওঠে ঠিক তখনই সে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পরিণত হয়। সরকার এই মহাসড়ক থেকে কোটি কোটি টাকা রাজস্ব টাকা রাজস্ব আয় করার পরও একযুগ পার হয়ে গেলেও রাস্তার সংস্কার তো দূরের কথা, গল্পমতে মাঝেমধ্যে রাস্তার কার্পেটিং কাজ লোক দেখানো মাত্র করা হতো। কার্পেটিং কাজে এত দুর্নীতি হত যা করার কয়েকদিনের মধ্যেই আবার নষ্ট হতেই শুরু হত। মূলত মহাসড়কটির কার্পেটিং করা হতো দুর্নীতির করার জন্য। সাতক্ষীরা সখীপুরে সিরাজুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে বলেন, রাস্তার কার্পেটিং কাজ শুধুমাত্র লোক দেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়। কার্পেটিং কাজে নয় ছয় করে ঠিকাদারেরা তাদের টাকা ঠিকই উত্তোলন করে নিয়ে গেছে অথচ সড়ক বিভাগের কেউই সিডিউল অনুযায়ী কাজ হইছে কিনা, না দেখেই তাদের সম্পূর্ণ টাকা পরিশোধ করে দেয়। সিডিউল অনুযায়ী কাজ না করেও ঘুষের মাধ্যমে কাজের বৈধতা ঠিক আছে বলে চালিয়ে দেয়।
কয়েকদিন পূর্বে সাতক্ষীরা জামায়াতে ইসলামের আয়োজনে সর্বসাধারণের নিয়ে সাতক্ষীরার পারুলিয়ায় একটি মানববন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়, রাস্তার সংস্কারের দাবিতে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পরেও এখনো পর্যন্ত রাস্তার কোনো সংস্কারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। অবৈধভাবে ইটভাটা তৈরি সহ অবৈধ টলি দিয়ে অবৈধভাবে মাটি বহন করে মহাসড়কটি নষ্ট সহ বড় দুর্ঘটনার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অবৈধ ইটভাটা গুলো। ইট ভাটার মালিকদের সাথে কথা বলার পড়ো তারা আইনের তোয়াক্কা না করে নিজেদের ক্ষমতা বলে এভাবেই মাটি বহনসহ ইটভাটা চালিয়ে যাচ্ছে। সাতক্ষীরা বাসীর এখন সময়ের দাবি উর্দ্ধতন প্রশাসনের কাছে। সাতক্ষীরায় দেবহাটা, কালিগঞ্জ, নলতা, শ্যামনগর সহ যতগুলো ইটভাটা আছে, তাদের বৈধ কাগজ আছে কিনা, পরিবেশ ছাড়পত্র আছে কিনা, এবং এই অবৈধ টলি দিয়ে মহাসড়ক দিয়ে মাটি বহন না করার জন্য আইনের ব্যবস্থা নেওয়ার জর দাবি জানিয়েছেন। সাথে আরো দাবি জানিয়েছেন যত দ্রুত সম্ভব সাতক্ষীরা, কালিগঞ্জ, শ্যামনগর, মুন্সিগঞ্জ এই মহাসড়কটি পূর্ণ সংস্কারের করার জন্য। প্রতিনিয়ত এই দুর্ঘটনা থেকে সাতক্ষীরা বাসিকে রক্ষা করার জন্য মহাসড়কটি সংস্কার করা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই।।।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park