
আরিফুল ইসলাম পাঠান
কুমিল্লা প্রতিনিধি
মানুষ মানুষের জন্য” এ কথাটির মর্মার্থ বুঝতে হলে মিশতে হবে একজন যুবকের সাথে। একনিষ্ঠ সমাজকর্মী মানবতার ফেরিওয়ালা তিনি নিজেই। এই মানতবতার ফেরিওয়ালা হলেন কুমিল্লা জেলা মুরাদনগর উপজেলার ২১ নং বাবুটিপাড়া ইউনিয়ন এর দড়ানী পাড়া গ্রামের এক কৃষক পরিবারের সন্তান সমাজসেবক, তরুণ উদ্যোক্তা ও যুবরত্ন শাহ জালাল সরকার ,
সমাজসেবামূলক কাজে জড়িয়ে অল্প দিনের মধ্যে জনগণের আস্থাভাজন হয়ে উঠেছেন এই যুবক। সামাজিক দিক থেকে সকলের প্রিয় মানুষ তিনি। মানুষের হিয়ার মাঝে অধিকার পৌছে দেয়াই তার বাসনা, মুখে থাকে তার মন ভাল করে দেয়া হাসি। সদা প্রাণোবন্ত হাস্যোজ্জ্বল মানুষ তিনি। হাসি ছাড়া কথা বলেন না কারো সাথে। ঘুম থেকে উঠে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পরোপকারে নিজেকে নিয়োজিত রাখেন এই মানবিক মানুষ। স্বপ্ন তার অসহায় মানুষদের নিয়ে কাজ করার। তিনি সবসময় অসহায় অবহেলিত মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকেন। শুধু তাই নয় যে কোনো সামাজিক সমস্যায় তাকে পাশে পাওয়া যায়।
বিভিন্ন দুর্যোগে তিনি মানবতার পরিচয় দিয়েছেন। অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী পৌছে দিয়েছেন।
তিনি নি:স্বার্থ ভাবে গরিব মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। একটি সুন্দর সমাজ বিনির্মানে কাজ করছে। নিজ অর্থায়নে মসজিদ- মন্দির, ধর্মিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন।
শাহ জালাল সরকার বলেন, ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবনবিধান। ইসলামের সঙ্গে চলতে হলে ইসলামে দেখানো প্রতিটি বিষয় মেনে চলতে হয়। মানবসেবার জন্য মসজিদ-মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট ও বাঁধ নির্মাণসহ নানা জনকল্যাণ মুলক কাজ করাও বিশেষ সাওয়াবের কাজ।
একটি সুন্দর কাজ সম্পাদন করতে দরকার ভালো মানসিকতার। মানুষের সেবা করেই আমি আত্মতৃপ্তি পাই। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারলে আমার আত্নতৃপ্তি। মানুষের উপকার করতে পারলে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে। তাই নিজেকে আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত রেখেছি। এটাই আমার কর্মময় জীবন। এভাবেই সারাজীবন জনগণের সেবা করে পাশে থাকতে চাই।