
সুমন চন্দ্র দে, মহেশখালী (কক্সবাজার) প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার গোরকঘাটা জেটিঘাট এলাকা পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ও সহকারী কমিশনার (ভূমি)। পরিদর্শনকালে ঘাটসংলগ্ন এলাকায় অবৈধভাবে মোটরসাইকেল পার্কিং করার কারণে রোগী, পর্যটক ও সাধারণ যাত্রীদের মারাত্মক যাতায়াত সংকটের মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করেন এবং জেটি ঘাটে শৃঙ্খলা ফেরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
১১ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) বিকেলে মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইমরার মোহমুদ ডালিম ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবু জাফর মজুমদার গোরকঘাটা জেটি ঘাট পরিদর্শন করেন। এ সময় অবৈধভাবে পার্কিং করা মোটরসাইকেলগুলো জব্দ করে থানায় প্রেরণের নির্দেশ দেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মো: আবু জাফর মজুমদার। তাঁর তত্ত্বাবধানে ঘাট এলাকার অবৈধ পার্কিংয়ের কারণে সৃষ্ট যানজট ও অসুবিধা দ্রুত নিরসন করা হয়।
ঘাট পরিদর্শন শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইমরান মাহমুদ ডালিম জানান, গোরকঘাটা জেটিঘাট একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন কেন্দ্র হওয়ায় এখানে যেকোনো ধরনের অবৈধ দখল বা পার্কিং জনদুর্ভোগের সৃষ্টি করে। বিশেষ করে রোগী পরিবহন, পর্যটক চলাচল ও দৈনন্দিন যাত্রীদের জন্য অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে সকল বাধা অপসারণে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যাতে জনসাধারণ, যাত্রী ও পর্যটকদের কোনোরূপ ভোগান্তি না হয় এবং সড়ক অবরোধ করে মোটরসাইকেল পার্কিং না করা হয়, সে জন্য মহেশখালীবাসীর প্রতি সহযোগিতা ও সচেতনতার আহ্বান জানান। পাশাপাশি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও যাত্রীরা প্রশাসনের এই দ্রুত পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, গোরকঘাটা জেটিঘাট এলাকায় যাতায়াত ব্যবস্থা স্থায়ীভাবে উন্নত হবে এবং অবৈধ পার্কিং পুনরায় না হওয়ার জন্য নিয়মিত তদারকি চালানোর অনুরোধ জানান।
উল্লেখ্য, মহেশখালীর গোরকঘাটা জেটিঘাট একটি ব্যস্ত নৌপরিবহন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত, যা মূল ভূখণ্ডের সাথে মহেশখালীর সংযোগ রক্ষা করে। প্রতিদিন হাজারো যাত্রী, পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দা এই ঘাট ব্যবহার করেন।