1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
টেকনাফ সদরের স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি পেতে মরিয়া মাদক কারবারীরা - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

টেকনাফ সদরের স্বেচ্ছাসেবক দলের কমিটি পেতে মরিয়া মাদক কারবারীরা

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৭৪ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিনিধি

টেকনাফ সদরের স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটির পদ পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মাদক কারবারীরা। এই নিয়ে এলাকায় চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এই কমিটির দূড়ে রয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফের নাজির পাড়ার মোহাম্মদ ছিদ্দিক ওরফে খুনি ছিদ্দিকের ছেলে ফরিদ আলম ও মিঠা পানির ছড়ার আরেক মাদক সম্রাট শামসুল আলম। তারা দুজন টেকনাফের চিহ্নিত মাদক কারবারি। বেশ কয়েকবার দুজন র‍্যাব ও পুলিশের হাতে মাদকসহ গ্রেপ্তারও হন। ফরিদ আলম ও শামসুল আলমের বিরুদ্ধে টেকনাফ থানায় রয়েছে একাধিক হত্যা ও মাদক মামলা। বহুল আলোচিত চিহ্নিত মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত ফরিদ আলম এবং শামসুল আলম এখন টেকনাফ সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন কমিটিতে পদ পেতে দুজন ব্যাপক দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। পুলিশের তালিকাভুক্ত দুইজন মাদক কারবারি স্বেচ্ছাসেবক দলের নতুন নেতৃত্বে আসতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। টেকনাফে নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদের জন্য এখন ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

চিহ্নিত মাদক কারবারি ফরিদ আলম এবার হতে চান স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন সভাপতি। অপর দিকে শামসুল আলম হতে চান এই কমিটির সাধারন সম্পাদক। এই কমিটিতে স্থান পেতে একাধিক প্রার্থী আলোচনায় থাকলে এরই মধ্যে সব কিছু ছাপিয়ে ফরিদ ও শামসু আলমের প্রার্থীতা নিয়ে স্থানীয় বিএনপি ঘরনার রাজনৈতিক মহলে ব্যপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দলের এত ত্যাগি নেতা কমী থাকতে কেন মাদক কারবারীদের পদ-পদবিতে আনতে হবে। যারা এই সব মাদক কারবারীদের দলের পদে স্থান দিতে চাই আমরা তৃণমূল নেতাকমীরা তাদের প্রত্যাখান করতে বাধ্য হব।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, টেকনাফ নাজির পাড়া এলাকার চিহ্নিত হত্যা মামলার আসামি ছিদ্দিকের একমাত্র ছেলে ফরিদ আলম। বাবার উত্তরাধিকার সুত্রে ছেলে ফরিদও অল্প বয়সে রপ্ত করেন বিভিন্ন অপকর্মের কৌশল। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ ৩২ টি মামলা রয়েছে। তার নেতৃত্বে আলোচিত ভুট্টো ও মার্কিন হত্যা হয়। হত্যা মামলায় ফরিদ আসামি। তার নেতৃত্বে শতাধিক কিশোর মাদক ও ছিনতাইয়ে জড়িত। এসব কিশোর গ্যাং সদস্যদের দিয়ে এলাকায় কেউ বাড়িঘর নির্মাণ করতে গেলেই বাধা দেওয়া হয়। তার অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে এলাকাবাসী থানায় একাধিক অভিযোগ করেন বলে জানা গেছে।

তবে এতো অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও ফরিদ ও শামসুল আলম স্বেচ্ছাসেবক দলের পদ পেতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে। আর এ কাজে  সহযোগীতা করছেন বিএনপির কিছু বিতর্কিত নেতা।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, একসময় ফরিদ আলম বেকার হিসেবে এলাকায় থাকতো। হঠাৎ ইয়াবা ব্যবসায় কোটিপতি বনে যায়। তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে তাদের হত্যা এবং বাড়ি ঘর দখলে নিয়ে তাড়িয়ে দিতেন। টেকনাফের নাজির পাড়া ও মৌলভী পাড়া ইয়াবা ও খুনের গ্রাম হিসাবে ব্যাপক পরিচিতি এবং আলোচিত। এ দুইটি গ্রামে বড় ধরনের ঘটনায় প্রথমে এদের নাম উঠে আসে। আলোচিত চাঞ্চল্যকর হত্যা ভুট্টোকে তারা প্রকাশ্যে কূপুয়ে হত্যা করে।এর আগে মার্কিনকেও প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়। তবে ফরিদের গ্যাংয়ের কাছে অতিষ্ঠ বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
অন্য দিকে টেকনাফ মিঠা পানির ছড়ার মাদকে আলোচিত যার নাম সামশুল আলম। তিনি মানবপাচার ও অপহরণে জড়িত রয়েছে। শামসুল আলম বেশ কয়েকবার ইয়াবাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিল। মিঠা পানির ছড়ায় অসহায় মানুষের জমি জবর দখল ও মারধর করে। ঐ এলাকার অসহায় মানুষ সামশুল আলমের কাছে জিম্মি রয়েছে।

তৃণমূলের বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি,  টেকনাফ উপজেলায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কমকান্ড গতিশীল করতে নতুন কমিটি করতে যাচেছ।  এই ধারাবাহিকতায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতৃত্বে টেকনাফ সদরের কমিটি হবে। নতুন কমিটিতে যেন অনুপ্রবেশকারী ও মাদক সংশ্লিষ্ট কাউকে যেন পদ দেওয়া না হয়। সেদিকে সতক থাকতে হবে। এছাড়াও দীর্ঘদিনের পরিশ্রমী ও ত্যাগীদের মূল্যায়নের দাবি করেন তারা।

এবিষয়ে টেকনাফ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক,+880 1815-055567

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park