
বেবি চক্রবর্ত্তী:-প্রবীণ সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য দল তাঁকে বহিষ্কার বা বাতিল করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। রবিবার সকালে এক তরুণী সাংবাদিককে চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে এই প্রেক্ষাপটে সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে এই ইস্যুতে একের পর এক পোস্ট করেছেন কুণাল।
“পুরো তদন্ত হোক। সত্য হলে সিপিএমের তন্ময় ভট্টাচার্যকে এঁর অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার করুক পুলিশ। সিপিএম কী বলবে?? মুখে কুলুপ? এদিন তরুণী সাংবাদিকের শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে কেন এখনও প্রবীণ সিপিএম নেতা (যদিও দল তাঁকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দাবি) তন্ময় ভট্টাচার্যকে গ্রেফতার করা হল না? এই প্রশ্ন তুলে সোশাল মিডিয়ায় সুর চড়ালেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।
উল্লেখ্য, রবিবার একটি ফেসবুক লাইভ করেন এক তরুণী সাংবাদিক। তাতে তাঁর অভিযোগ, এদিন সকালে সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের একটি সাক্ষাৎকার নিতে গিয়ে চরম লাঞ্ছনার শিকার হতে হয় তাঁকে।
ওই তরুণী জানান, প্রবীণ ওই রাজনীতিক তাঁর কোলে বসে পড়েন! অন্যদিকে, সিপিএম নেতাও কার্যত এই ঘটনা স্বীকার করে নেন। যদিও তাঁর সাফাই, যা করেছেন, ‘ইয়ার্কি’ করেই করেছেন!
স্বাভাবিকভাবেই এ নিয়ে সিপিএম নেতার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় ওঠে। অন্যদিকে, দলের অন্দরেও এই ঘটনায় তন্ময়ের বিরুদ্ধে যাতে পদক্ষেপ করা হয়, সেই দাবিতে চাপ বাড়তে থাকে।
সাঁড়াশি চাপের মুখে তন্ময় ভট্টাচার্যকে আপাতত সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেয় দলীয় নেতৃত্ব। এই প্রেক্ষাপটে সমাজমাধ্যমে সরব হয়েছেন কুণাল ঘোষ। তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে এই ইস্যুতে একের পর এক পোস্ট করেছেন কুণাল ঘোষ।
রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এক মহিলা সাংবাদিক বলেন, “আজ আমার ইন্টারভিউ নেওয়ার কথা ছিল সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যর। আমার ক্যামেরাম্যান বলছিলেন, কে কোথায় বসবেন। সেই উনি বলেন, আমি কোথায় বসব? এখানে বসব। বলতে বলতে আমার দিকে সরে আসেন। আমার কোলে বসে পড়েন। এর আগেও অনেকবার উনি ইয়ার্কি করেছেন। ইন্টারভিউ দিতে দিতে গায়ে হাত দেন। আগে আমি উপেক্ষা করেছি। এখন মনে হচ্ছে, তা করা ঠিক হয়নি। আজও আমি বিষয়টি সামলে তাঁর ইন্টারভিউ নিয়েছি। তবে তার আগে তাঁকে বলি, আপনি ইয়ার্কি করেন জানি। কিন্তু, এরকম করবেন না। আমার ভাল লাগে না।” সেইসময় তাঁর ক্যামেরা অন ছিল না বলে জানান ওই মহিলা সাংবাদিক। সিপিএমকে অবশ্য দোষারোপ করতে চাননি ওই মহিলা সাংবাদিক। তিনি বলেন, এটা ব্যক্তিবিশেষের ব্যাপার। সিপিএম তন্ময়ের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেবেন, তা তিনি জানেন না বলে ৮ মিনিট ২৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োতে বলেন মহিলা সাংবাদিক।