1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
ইতিহাসে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে হরিপুরের জমিদার বাড়ি - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভবানীগঞ্জ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জগন্নাথপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে  আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে শেরপুর জেলা পুলিশের উদ্যাগে ‘গণিতকে করবো জয়”- প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে গণিত উৎসব-২০২৬’ অনুষ্ঠিত দুর্গাপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত সাংবাদিকদের প্রতিবাদে চট্টগ্রামের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি নিষিদ্ধ ফরেক্স X-FUSION TAG MARKETS দ্বারা ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা পাচারের আশঙ্কা! ফাঁদে পড়ে নিঃস্ব হওয়ার ঝুঁকিতে লাখো মানুষ। পর্বঃ ০১ “চুয়াডাঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত।” ​ গাজীপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আমাদের জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার চেতনায় উজ্জীবিত করে। আল-আমিন হালদার যে মাঠে শেষ বল করেছিলেন, সেই মাঠেই শেষ বিদায়—বিরামপুরের ক্রীড়াঙ্গনে শোকের ছায়া চারঘাটে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

ইতিহাসে কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে হরিপুরের জমিদার বাড়ি

সিরাজুল ইসলাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৮৪ বার পঠিত

সিরাজুল ইসলাম ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস এক অপর সম্ভাবনার জানান দেয় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে,আর ভবিষ্যৎ প্রজন্মের ও হয়তো কৌতুহলী জাগবে প্রাচীন রাজ বংসীদের স্হাপ্তীর প্রাচীন নিদর্শন বড়বড় রাজ প্রাসাদ, নির্মাণ সামগ্রী দেখে জানতে পারবে রাজবংশীদের ইতিহাস সম্পর্কে। এমন প্রাচীন রাজবাড়ী রয়েছে
ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার কেন্দ্রস্থলে হরিপুর রাজবাড়ি। এই রাজবাড়ি ঘনশ্যাম কুন্ডুর বংশধরদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত বলে জানা গেছে, মুসলিম শাসনামলে আনুমানিক ১৪০০ খ্রিস্টাব্দে ঘনশ্যাম কুন্ডু নামক একজন ব্যবসায়ী এন্ডি কাপড়ের ব্যবসা করতে হরিপুরে আসেন। সেই সময়ে মেহেরুন্নেসা নামে এক বিধবা মুসলিম মহিলা অত্র অঞ্চলের জমিদার ছিলেন। তাঁর বাড়ি মেদিনীসাগর গ্রামে। এই জমিদারির খাজনা দিতে হতো তাজপুর পরগনার ফৌজদারের নিকট। খাজনা অনাদায়ের কারণে মেহেরুন্নেসার জমিদারির কিছু অংশ নিলাম হয়ে গেলে ঘনশ্যাম কুন্ডু কিনে নেন। ঘনশ্যামের পরবর্তী বংশধরদের একজন রাঘবেন্দ্র রায় উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে বৃটিশ আমলে হরিপুর রাজবাড়ির কাজ শুরু করেন। কিন্তু তাঁর সময়ে রাজবাড়ির কাজ শেষ হয়নি। রাঘবেন্দ্র রায়ের পুত্র জগেন্দ্র নারায়ণ রায় উনবিংশ শতাব্দীর শেষদিকে রাজবাড়ির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত করেন। এসময় তিনি বৃটিশ সরকার কর্তৃক রাজর্ষি উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯০০ সালের দিকে ঘনশ্যামের বংশধররা বিভক্ত হয়ে গেলে হরিপুর রাজবাড়িও দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়।
জগেন্দ্র নারায়ণ রায়ের সমাপ্তকৃত রাজবাড়ির দ্বিতল ভবনে লতাপাতার নকশা এবং পূর্ব দেয়ালের শীর্ষে রাজর্ষি জগেন্দ্র নারায়ণের চৌদ্দটি মূর্তি আছে। তাছাড়া ভবনটির পূর্বপাশে একটি শিবমন্দির এবং মন্দিরের সামনে নাট্যশালা রয়েছে। রাজবাড়িতে ছিল একটি বড় পাঠাগার যার অস্তিত্ব এখন নেই। রাজবাড়িটির যে সিংহদরজা ছিল সেটিও নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। রাঘবেন্দ্র-জগেন্দ্র নারায়ণ রায় কর্তৃক নির্মিত রাজবাড়িটি বড় তরফের রাজবাড়ি নামে পরিচিত। এই রাজবাড়ির পশ্চিমদিকে নগেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌঃ ও সিরিজা নারায়ণ চৌঃ ১৯০৩ সালে আরেকটি রাজবাড়ি নির্মাণ করেন যার নাম ছোট তরফ। ছোট তরফের রাজবাড়ির সামনে অর্থাৎ দক্ষিণ দিকে আনুমানিক ৪০০ বছরের পুরাতন একটি শিবমন্দির আছে। জোড়বাংলা পদ্ধতিতে মন্দিরটি তৈরি। মন্দিরটির চারদিকের দেয়ালে রয়েছে টেরাকোটা নকসা। মন্দিরটির দক্ষিণে একটি দরজা এবং পুর্ব ও পশ্চিম দেয়ালে একটি করে ক্ষুদ্রাকৃতির জানালা আছে। অনুমান করা হয় যে শিব মন্দিরটি ঘন-শ্যাম কুণ্ডু বা তার নিকটবর্তী বংশধরদের দ্বারা নির্মিত বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park