1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
আর্থমানবতার সেবায় নিবেদিত প্রাণ গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের প্রিয় মুখ মোঃ ফয়সল মিয়া - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বাগমারায় সাংবাদিকের ফেসবুক আইডি হ্যাক করে ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র ​সাতক্ষীরা সীমান্তে অভিনব কায়দা: মলদ্বারে লুকিয়ে পাচারের সময় ১.৫৫ কোটি টাকার স্বর্ণসহ ভারতীয় নাগরিক আটক পাবিপ্রবিতে ডিবেটিং সোসাইটির কমিটি নিয়ে বিতর্ক, আলোচনায় শিবির সভাপতি ​সাতক্ষীরায় ছাত্রশিবিরের ২০২৭ সালের ইংরেজি নববর্ষ প্রকাশনার উদ্বোধন। সাতক্ষীরায় ৩০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ শীর্ষ মাদক কারবারি পল্টু গ্রেপ্তার রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা বিরামপুরে দুই কিলোমিটার হেঁটে ফুটপাতের দখল দেখলেন ইউএনও, ব্যবসায়ীদের সতর্কবার্তা দামুড়হুদায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে সুপারভাইজার ও তথ্যসংগ্রহকারীদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পাঁচবিবিতে যুব দিবসে গাছের চারা বিতরণ ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের উদ্যোগে নদীভাঙন রোধে জিও ব্যাগ স্থাপন

আর্থমানবতার সেবায় নিবেদিত প্রাণ গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের প্রিয় মুখ মোঃ ফয়সল মিয়া

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৫৯ বার পঠিত

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা তথা আশপাশ গ্রামের মানুষ যেসব কীর্তিমান সন্তানকে নিয়ে গর্ব করতে পারে, ফয়সল মিয়া তাদের মধ্যে অন্যতম। এলাকার গরীব দুঃখী অসহায় ও মেহনতি মানুষের খোজ খবর রাখেন প্রতিনিয়ত। গরীব অসহায় ও সামাজিক উন্নয়নে এ কর্মবীর ফয়সল মিয়া জীবনের প্রতিটি কাজে রেখেছেন অসাধারণ অবদান। জীবনের প্রথম দিক থেকেই তাহারা গরীব অসহায় সামাজিক উন্নয়নে লড়াকু সৈনিক হিসাবে কাজ করে আসছেন।এলাকার খেটে খাওয়া শ্রমিক, দিনমজুর, অল্প আয়ের জনগোষ্ঠীকে নিয়ে উপজেলার সর্বত্র সংগ্রামে অবতীর্ণ হন। ফয়সল মিয়া সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার কলকলিয়া ইউনিয়নের শ্রীধরপাশা গ্রামের হাজী আব্দুল গফুর মিয়ার ছেলে। তিনি গ্রামের একটি আদর্শ পরিবারের ছেলে। তিনি খুব অল্প বয়স থেকেই সমাজকর্ম ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে যান।গরীব দুঃখী অসহায় মানুষের পাশে থাকা আর্থিক সাহায্য প্রদান, চিকিৎসা সেবাসহ নানা কর্মগুণে খুব সহজেই নিজ এলাকার সর্বস্তরের মানুষের কাছে প্রিয়জন হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।ছোটবেলা থেকেই নিজ এলাকায় অসহায়, গরিব, দুখী মানুষের জন্য কাজ করে ভালোবাসা অর্জন করেন।সমাজসেবামূলক কাজে আত্মনিয়োগ করার পর নিজ এলাকা ও উপজেলার জনগণ তাকে অন্তরে ঠাঁই দিয়ে আন্তরিকভাবে মূল্যায়ন করেছেন। তিনি সামাজিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করেন ছাতছোট বেলা থেকেই।যে কোন সময় আশপাশ এলাকায় কোন অসহায় গরীব ও মেহনতী মানুষ যে কোন রোগে আক্রান্ত হলে বা দুর্ঘটনা ঘটলে তিনি সব ধরনের সহযোগিতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান। এলাকার সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা বন্ধ করতে তিনি এলাকার লোকজনদের নিয়ে রাতদিন পরিশ্রম করেন। মানুষের দুঃখ দুর্দশা লাগবে সব সময় তাহারা বিপুলভাবে কাজ করেন এলাকার মানুষের, প্রশংসায় সিক্ত হন।গরীব দুঃখী অসহায় মেহনতী মানুষের উপকারের পাশাপাশি এলাকায় অসামাজিক কর্মকান্ড বন্ধে তিনি বিশেষভাবে কাজ করেন।

মোঃ ফয়সল মিয়া দৈনন্দিন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পাদন করে তার প্রমাণ করেছেন। সমাজের বিভিন্ন অবহেলিত মানুষের দাবি আদায়ের আন্দোলনে থেকেছেন সদাব্যস্ত। তানি সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অধিকার বাস্তবায়নে ছিলেন সোচ্চার। নিজ এলাকার বঞ্চিত, অবহেলিত, শোষিত মানুষের সঙ্গে একাত্ম হয়ে কাজ করেছেন। তিনি ছোট বড় ধনী গরীব সকলের সঙ্গে আন্তরিক ও প্রাণবন্ত ব্যবহার করতেন। ওদের সুখ-দুঃখের খবরাখবর রাখতেন। ফলে এসব খেটে খাওয়া মানুষই হয়ে ওঠে তার পরম শক্তি, দেয় এগিয়ে চলার সাহস। কাজের ব্যাপারে আন্তরিকতা ও সুশাসক হওয়ার কারণে এলাকার মানুষের কাছে তিনি হয়ে ওঠেন খুবই প্রিয়জন। জনসেবায় মোঃ ফয়সল মিয়া নজিরবিহীন অবদান রাখেন।সত্য ও ন্যায়ের বিষয়ে নিজেকে অবিচল রাখার কারণে এলাকায় হয়ে ওঠেন যোগ্য সামাজিক বিচারক। বিচার সভায় তার সুনাম ছিল অভাবনীয়। এ কারণে জনগণের ছিল তার প্রতি অসীম বিশ্বাস ও ভালোবাসা। দিনের অধিকাংশ সময় সমাজের নানাবিধ কাজেই অতিবাহিত করতেন। তার কাজের কোনো সীমা ছিল না। আর সামাজিক উন্নয়নে সব দলের, সব পরিসরের মানুষের মাঝে গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেন। মোঃ ফয়সল মিয়া সব সময় গরীব দুঃখী অসহায় মেহনতী মানুষদের সহায়তা করতেন বিভিন্নভাবে। তার বাড়ি ছিল সর্বস্তরের মানুষের জন্য একটি প্রিয় ঠিকানা। দিনের শুরু থেকে অনেক রাত পর্যন্ত তার বাসভবনে এলাকার মানুষের সমাগম ঘটত। এসব কাজের মধ্য দিয়ে ফয়সল মিয়া সত্যিকার অর্থেই একজন জনদরদী হিসাবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন। সমাজের উন্নয়নমূলক কাজ করার মাঝে তার ছিল বিপুল জনসেবার আনন্দ।পারিবারিক কাজের পাশাপাশি তিনি জনকল্যাণমূলক কাজের একজন অগ্রসেনানী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন। ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় ও গোষ্ঠীর মানুষের কাছে মোঃ ফয়সল মিয়া ছিলেন সমান জনপ্রিয়। মানবতাই ছিল তাহার কাজ ও ধর্ম। তিনির মাঝে ছিল না কোন অহঙ্কার। ছিল না কোনো চাওয়া। কাজের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের মানুষের অন্তরে নিজেেক প্রতিষ্ঠিত করতে চান। এ কারণেই তিনি অনেক বেশি গৌরবের আসনে সিক্ত হয়ে আছেন।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park