
মোঃ মুকিম উদ্দিন জগন্নাথপুর প্রতিনিধি
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় কোনো বালু মহাল না থাকলেও কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র সরকারী বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে বালু ব্যবহারের অজুহাত দেখিয়ে বালু উত্তোলন করছে এই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট চক্র। এদিকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করায় নদীর তলদেশে গভীরতা বাড়ছে। এর ফলে সিলেট বিভাগের সর্ববৃহত কুশিয়ারা সেতু, রাস্তাঘাটসহ ফেচী বাজার ভাঙন হুমকিতে পড়েছে। এছাড়া নদীর পাড়ের বসতবাড়ি, মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্টান ও ফসলীজমি নদী ভাঙনের শিকার হচ্ছে। জানাযায়, বালু উত্তোলনে অধিক লাভ হাওয়ার কারণে কুশিয়ারা নদী থেকে বন্ধ করা যাচ্ছেনা বালু উত্তোলন। এমনকি জগন্নাথপুর উপজেলা প্রশাসন অভিযান চালালেও বন্ধ হচ্ছেনা বালু উত্তোলন। প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে রাতের আঁধারে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। বিভিন্ন সংবাদপত্রে জগন্নাথপুর কুশিয়ারা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের নিউজ নিয়মিত প্রকাশিত হওয়ায় গতকাল কুশিয়ারা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বাঘময়না এলাকায় বালু আনলোড করার সময় বালু বুঝাই নৌকা আটক করেছে উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
আটককৃত নৌকায় থাকা বালু শ্রমিক আবুল কাশেম জানান, দুইজন মেম্বার বালু ক্রয় করে নিয়ে এসেছেন।দুপুরে তহশিলদার আমাদের নৌকা আটক করেন।
রানীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সেলিম মিয়া জানান, অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে একটি বালু বুঝাই নৌকা আটক করা হয়েছে।আটককৃত নৌকা ছাড়াতে দুই ইউপি সদস্য দৌড়ঝাপ শুরু করেছেন। তিনি আরও বলেন, রানীগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) তেরা মিয়া ও কাওসার আহমদ নৌকাটি ছাড়িয়ে নিতে আমার অফিসে আসেন। এছাড়া নৌকাটি ছাড়িয়ে নিতে দুই মেম্বার জগন্নাথপুর অফিসে যান।