
ইদ্রিস আলী,
পাঁচবিবি(উপজেলা)প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবি মহিলা কলেজের (অবসরপ্রাপ্ত) মনোবিজ্ঞান বিভাগের এক মহিলা প্রভাষক তাঁর নিজ কলেজের অধ্যক্ষের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হয়ে পদন্নোতি পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। শুধু বৈষম্যের শিকার নয়, বরং সীমাহীন দূর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন ওই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। সম্প্রতী এঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে বিচার চেয়ে পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন পাঁচবিবি মহিলা কলেজের (অবসরপ্রাপ্ত) মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোছাঃ আফরোজা আখতার।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে দেওয়া অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, পাঁচবিবি মহিলা কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক মোছাঃ আফরোজা আখতার চাকরিতে থাকাকালীন সময়ে কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জহুরুল ইসলামের দ্বারা বিভিন্নভাবে নির্যাতন ও বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। সকল শিক্ষাগত যোগ্যতা ও শর্তাবলী থাকা সত্বেও তাকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদন্নোতি থেকে বঞ্চিত করেছেন। তৎকালীন সময়ে ভুক্তভোগী ওই প্রভাষক উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন (রিট নং ৩২৪৪/১১) দায়ের করে নিজের পক্ষে রায় পায়। সেসময়ে অধ্যক্ষ সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আপিল করলে তাও খারিজ হয়ে যায়। তখন থেকে অধ্যবদি ভুক্তভোগী ওই প্রভাষকের পদন্নোতির রায়ের কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।
এছাড়াও অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সীমাহীন দূর্নীতির কথা উল্লেখ্য করেছেন অভিযোগে। অভিযোগে বলা হয়েছে, সেসময়ে নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা সত্বেও ৬ জন শিক্ষককে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে নিয়ম বহিভূত ভাবে তাদের পদন্নোতিও দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে পাঁচবিবি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে আমার কোনো মন্তব্য নেই।
পাঁচবিবি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাহামুদুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। ইতিমধ্যেই উভয় পক্ষকে ডাকা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।