1. admin@bangladeshkhabarpratidin.com : admin :
শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে সাতক্ষীরায় কোরবানি পশুর হাট। - বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নাটোরের নলডাঙ্গায় দেড় কোটি টাকা নিয়ে উধাও স্বর্ণ ব্যবসায়ী দম্পতি বিচারের দাবীতে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে রোগীর কেবিনে সন্দেহজনকভাবে প্রবেশ, আটক যুবক দিনভর অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে আগামীকাল সেন্টমার্টিন যাচ্ছে একটি জাহাজ বাকেরগঞ্জের কৃতিসন্তান ড. এস.এম. মাহফুজুর রহমান বরিশাল জেলা জামায়াতের নতুন আমীর ২৪৮ বছরের ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম মুসলিম সিনেটর আবদুল আল-সাইয়েদ মিলল না অনুমতি, টিকিট কেনার পরও বৃহস্পতিবার যাওয়া যাচ্ছে না সেন্টমার্টিন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ভৈরব নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত উলিপুরে দলদলিয়া নাগরিক ফোরামের ৭ম বর্ষে পদার্পণ,আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে প্রেমের ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের সংঘর্ষ আহত ২০ সাতক্ষীরায় ‘দৈনিক সাতক্ষীরা খবর’-এর উদ্বোধন, শিবিরের শুভেচ্ছা।

শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে সাতক্ষীরায় কোরবানি পশুর হাট।

মাসুদ রানা,সাতক্ষীরা:
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬
  • ৮৭ বার পঠিত

মাসুদ রানা,সাতক্ষীরা:

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে এসে জমে উঠেছে সাতক্ষীরার পশুর হাটগুলো। জেলার স্থায়ী হাটগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় বসেছে অস্থায়ী হাট। তবে বাজারে পশুর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম নিয়ে ক্রেতা ও খামারিদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর সাতক্ষীরা জেলায় কোরবানির পশুর মোট চাহিদা রয়েছে ১ লক্ষ ১ হাজার। তবে জেলার খামারি ও গৃহস্থদের কাছে কোরবানির উপযোগী প্রস্তুতকৃত পশুর সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার। সেই হিসেবে চাহিদার তুলনায় জেলায় প্রায় ১৯ হাজার পশু উদ্বৃত্ত রয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এই উদ্বৃত্ত পশু দেশের অন্যান্য জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, সাতক্ষীরার ৭টি উপজেলার মোট ১৩,৪৩৯টি খামারে বানিজ্যিকভাবে এবার কোরবানির পশু লালন-পালন করা হয়েছে। এর মধ্যে গরুর সংখ্যা ৫০ হাজারের অধিক এবং ছাগলের সংখ্যা ৬৩ হাজারের বেশি।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ডিবি ইউনাইটেড মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বসা অস্থায়ী পশুর হাটে গিয়ে দেখা যায় ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় মুখর চারপাশ। তবে হাটে আসা খামারি ও ক্রেতাদের মাঝে দাম নিয়ে এক ধরণের অসন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে।

হাটে গরু নিয়ে আসা স্থানীয় খামারিরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “গত এক বছরে গোখাদ্যের (ভুষি, খৈল, খড়) দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। পশু লালন-পালনে যে খরচ হয়েছে, হাটে এসে সেই অনুযায়ী গরুর দাম পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমান বাজারে গরু বিক্রয় করে কাঙ্ক্ষিত লাভ করা তো দূরের কথা, আসল টাকা ওঠানোই কঠিন হয়ে পড়েছে।”

অন্যদিকে বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের অভিযোগ, গত বছরের তুলনায় এবার পশুর দাম অনেক বেশি। হাটে আসা এক ক্রেতা জানান, “গত বছর যে আকারের গরু ৮০ হাজার টাকায় কেনা সম্ভব হয়েছিল, এবার সেই একই আকারের গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে ১ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা।” ফলে বাজেট মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বাজারে পশুর কোনো ঘাটতি নেই। উদ্বৃত্ত পশুর কারণে শেষ মুহূর্তে দাম সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে আসবে বলে তারা আশা করছেন। হাটে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং ক্রেতা-বিক্রেতাদের সহায়তায় প্রাণিসম্পদ বিভাগের ভেটেরিনারি মেডিকেল টিম কাজ করছে।

Facebook Comments Box
এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ বাংলাদেশ খবর প্রতিদিন
প্রযুক্তি সহায়তায় Shakil IT Park