
এম, মনিরুল ইসলাম।
সাতক্ষীরা, শ্যামনগর প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরার দুর্যোগ প্রবণ এলাকা শ্যামনগর উপজেলার পল্লীতে সম্প্রতি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নন্দিত চেয়ারম্যান ও আমার গ্রাম আমার শহর কর্মকর্তা বৃন্দ উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরিদর্শনপূর্বক জানা যায়,আরপাঙ্গাসিয়া হতে কলবাড়ি হয়ে আকাশনীলা পর্যন্ত। এদিকে কলবাড়ি মোড় হয়ে বুড়িগোয়ালিনী নীলডুমুর খেয়াঘাট পর্যন্ত। রাস্তার দু পাশ দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ইতিমধ্যেই বাস্তবায়িত হয়েছে।এসব চারার মধ্যে রয়েছে ফলজ বনোজ ও ম্যানগ্রোভ প্রজাতির চারা । বিস্তারিত জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ সকল বৃক্ষের মধ্যে রয়েছে আকাশমনি, মেঘনি ,আম ,সফেদা, কদবেল সহ বিভিন্ন প্রজাতি ও ফুলের চারা রোপন করা হয়েছে বলে জানান, বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজী নজরুল ইসলাম। চেয়ারম্যান মহোদয় আরো বলেন, এ পর্যন্ত ২৩০০ পিস চারা রোপন করা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে ৯ কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে গাছ লাগানো হয়েছে। তা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তিনজন পাহারাদার নিয়োগ দেয়া হয়েছে।এদের কাজ হচ্ছে প্রতিদিন তিন কিলোমিটার জায়গা জুড়ে যে গাছ রোপন করা হয়েছে। সেই গাছের পরিচচা করা অথবা ছাগল গরুতে খেয়ে গাছ নষ্ট করে না ফেলে, সে বিষয়ে কড়া পাহারা দেওয়া । রাস্তার পাশ দিয়ে ফলজ গাছ সহ বিভিন্ন প্রকার গাছ লাগানো হয়েছে। এ বিষয়ে স্থানীয়দের মতামত জানতে চাইলে তারা বলেন,এই প্রথম দেখলাম সরকারি জায়গায় ফলজ গাছের চারা লাগাতে । তবে এতে স্থানীয়রা অনেক খুশি হয়েছেন বলে মত প্রকাশ করেন অনেকেই । এ বিষয়ে স্থানীয় চা ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রাস্তার পাশে ফলের গাছ লাগিয়ে দেওয়ায় আমরা অনেক খুশি হয়েছি। কারণ এই গাছে ফল হলে আমাদের ছেলে মেয়েরা তো খেতে পারবে । স্থানীয়রা আরো বলেন আমরা নিজেদের উদ্যোগে এই গাছ তদারকি সহ পাহারা দিয়ে রাখবো। যাতে করে কোন কিছুতে খেয়ে নষ্ট না করে ফেলে। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু ও বায়ু দূষণের কারণে বন্যা জলোচ্ছ্বাস হয়ে থাকে। নানান দুর্যোগের শিকার হন বিশেষ করে উপকূলবাসী। বৃক্ষরোপণ এই মহতী উদ্যোগ বায়ু মণ্ডল কে অনেকটা শান্ত রাখতে সাহায্য করবে। উল্লেখ্য, কিছু চোরাকারবারি রাতের আঁধারে অথবা সুন্দরবন অভ্যন্তরে অবৈধ প্রবেশের মাধ্যমে মহামূল্যবান বৃক্ষরাজী ধ্বংস করে চলেছে।