
জামান উদ্দিন।স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা।
বিশ্বের দরবারে নানান দুর্যোগে ক্ষতবিক্ষত দরিদ্র জনগোষ্ঠী সম্বলিত বাংলাদেশ। গতকালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় থেকে এ যাত্রায় রক্ষা পেল নিম্নবৃত্ত সংক্ষিপ্ত পরিসরের বাংলাদেশ। তথা খুলনা বিভাগ ও অন্যান্য বিভাগ গুলো। তথ্য অনুসন্ধান পূর্বক জানা গেছে, ভোলা পটুয়াখালীতে হালকা ও ভারী বৃষ্টিপাত ঝড় হলেও দক্ষিণ অঞ্চলীয় বিভাগ ও জেলাগুলোতে এর প্রভাব তেমন একটা বিস্তার লাভ করতে পারেনি। খুলনা বিভাগের সবচেয়ে বেশি দুর্যোগ প্রবণ ক্ষতবিক্ষত জেলা সাতক্ষীরা ও অভ্যন্তরীণ উপজেলা গুলো। বিগত দিনে দেখেছি সাতক্ষীরা সহ শ্যামনগর উপজেলা ঘূর্ণিঝড় জলোচ্ছ্বাস আমফান নার্গিস এবং বিভিন্ন জলোচ্ছ্বাস ও দুর্যোগে সর্বশান্ত ক্ষতবিক্ষত শ্যামনগরের সর্বশ্রেণী পেশার মানুষ সর্বহারা হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ঘূর্ণিঝড় ডানার খবর ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ তথা দক্ষিণ অঞ্চলীয় বিভাগ গুলো যার মধ্যে সাতক্ষীরা জেলা সহ শ্যামনগর উপজেলা অন্যতম বিশ্বের একক ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন দক্ষিণ অঞ্চলীয় দুর্বল জনগোষ্ঠীকে মায়ের মত আগলে রাখে। সাতক্ষীরার নদীমাতৃক উপকূলীয় অঞ্চলের দরিদ্র সর্বহারা মানুষগুলো দিন-রাত আতঙ্কে কাটিয়েছে। অতীতের আইলা সহ বিভিন্ন দুর্যোগের কথা জলোচ্ছ্বাসের ভয়াবহ রূপ দেখে ঘুম খাওয়া দাওয়া হারাম করে দিয়েছে আল্লাহ তাআলার অশেষ রহমতে অলি আউলিয়ার বাংলাদেশ ডানার প্রভাব থেকে অনেকাংশে মুক্ত। বিভিন্ন মাধ্যমে জানা গেছে ভোলা পটুয়াখালী গাইবান্ধা সহ উত্তর অঞ্চলীয় কিছু এলাকাগুলোতে ঝড়ের প্রভাবে সামান্য ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সবশেষে ভারতের ২৪ পরগনা সহ উড়িষ্যার উপর দিয়ে ১২০ কিলোমিটার গতিবেগে উক্ত ঘূর্ণিঝড় ডানা বেরিয়ে গেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।উল্লেখ করা যেতে পারে,বিশ্বের দরবারে সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলগুলোকে বিভিন্নভাবে সময় অসময়ে সকল জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড় থেকে রক্ষা করে থাকে। যে কারণবশত দক্ষিণ অঞ্চলীয় বিভাগ জেলা তথা উপজেলাগুলোতে তেমন ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বিশেষ করে শ্যামনগরের ক্ষতবিক্ষত জনপদ সর্বহারা সর্বস্বান্ত জনগোষ্ঠী নিরাপদে জীবন যাপন করছেন যার অবদান মহান আল্লাহ প্রদত্ত সুন্দরবন।