
রিপোর্টার জামাল উদ্দিন সাতক্ষীরা থেকে:
কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে সারা দেশের তুলনায় খুলনা পশ্চিম বনবিভাগের সাতক্ষীরা রেঞ্জ সহ জেলা ব্যাপী জলবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।পানি নিষ্কাশনের সুব্যবস্থা না থাকার কারণে এমন করুণ দশা নেমে এসেছে। হাজারো পরিবার পানি বন্দি হয়ে মানবতার জীবনযাপন করছে।চলতি মাসের এক তারিখ থেকে টুরিস্ট পাস দিয়েছে বন বিভাগ। অনুসন্ধান পূর্বক প্রকাশ, শ্যামনগর উপজেলার দুটি ভিন্ন স্টেশন কার্যালয় হতে বৈধ অনুমতি সংগ্রহ করার পর, ট্রলারযোগে দেশি-বিদেশি পর্যটক বৃন্দ পশ্চিম বনবিভাগের কিছু অংশ ভ্রমণ করে থাকেন। বিশ্ব বিখ্যাত ম্যানগ্রোভ সুন্দরবন বহির্বিশ্বে আলোচিত, সমালোচিত। দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়া, অতিবৃষ্টি ভারী বৃষ্টি ও দুর্যোগের কারণে বর্তমান সময়টিতে পর্যটকের সংখ্যা খুবই নগণ্য। প্রতিবছরের শীতকালীন সময়ে প্রচুর পরিমাণে দেশি-বিদেশি পর্যটক ভিড় করতে দেখা যায় বুড়িগোয়ালিনী সাতক্ষীরা রেঞ্জ প্রধান কার্যালয়। শাখা অফিস মুন্সীগঞ্জ এলাকায়।কেননা, বিধিমালা অনুযায়ী ভ্রমণ করার শর্তাবলী সমূহ বনবিভাগ কার্যালয় হতে চূড়ান্ত পেপার ও রাজস্ব দিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ করতে হয়। বিশ্বের মানচিত্রে সুন্দরবনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত বাকি ৩৮ শতাংশ ভারত সীমারেখার মধ্যে অবস্থিত। সৌন্দর্যের অপরূপ নিদর্শন সুন্দরবনের চিত্রা হরিণ। বাঘ বন্য শুকুর শত প্রজাতির পাখি অসংখ্য বৃক্ষরাজি বাংলাদেশের বিভিন্ন নদী ও সাগরে রয়েছে ছোট-বড় বিশাল বিস্তারিত মৎস্য ভান্ডার। আছে কুমির হাঙর শুষক সহ নাজানা অসংখ্য প্রাণী। সুন্দরবন নদী অঞ্চলীয় ট্যুরিজম সেন্টারগুলিতে সৌন্দর্যের অপরূপ অবারিত লীলাভূমি স্বচক্ষে দেখা যায়, দেখতে পাওয়া যায়। বিগত দিনে সুন্দরবন ভ্রমণকারীরা নানা রকম হয়রানি ও আক্রমণের শিকার হতে দেখা গেছে। পাশাপাশি নদীতে আবর্জনা ফেলানো হয়। বিভিন্ন রকম বজ্র অপ্রয়োজনীয় পলিথিন খাদ্যের বক্স ইত্যাদি মারাত্মকভাবে পরিবেশ দূষণ করে থাকে। উপকূলবর্তী অঞ্চলগুলোতে ইকো ট্যুরিজম সেন্টার গুলোতে ভ্রমণকারীরা ভ্রমণের আনন্দে জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি সাধন করে। বৃক্ষরাজি ধ্বংস করে থাকে। সকল বিষয় বিবেচনা পূর্বক বন বিভাগ ও মৎস্য সম্পদ অধিদপ্তরের সমন্বয়ে আমেরিকান দাতা গোষ্ঠীর অর্থায়নে, বাংলাদেশে প্রতিবেশ নামের একটি বেসরকারি সংস্থাএকজন ইকো ইকো ট্যুর গাইড যোগ্যতা সম্পন্ন জ্ঞান অর্জন করার নিমিত্তে পর্যটক তথা সুন্দরবনের ওপর একাধিক বার ট্রেনিং দিয়েছে। ট্রেনিংপ্রাপ্ত গাইড পর্যটক বৃন্দের নিরাপত্তা দিতে সর্বদা প্রস্তুত। বহুমুখী চিন্তা যুক্তিসংগত কারণ থাকার দরুন খুলনার সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা জনাব ইকবাল হাসান চৌধুরী ও প্রতিবেশ কর্মকর্তা বৃন্দের যৌথ সিদ্ধান্তে ট্রলার প্রতি সুন্দরবন ভ্রমণকারীদের নিরাপত্তা দেয়া নিয়ন্ত্রণ করা, বিধি লঙ্ঘন করছে কিনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখা। সুন্দরবন সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে রোমাঞ্চকর অপূর্ব বর্ণনার মাধ্যমে সুন্দরবন ভ্রমণে পর্যটক বৃন্দকে আরো আকর্ষিত করার উদ্দেশ্যে একজন ইকো ট্যুর গাইড বাধ্যতামূলক করেছে সাতক্ষীরা রেঞ্জ কর্মকর্তা। সামান্য সম্মানের বিনিময়ে পর্যটক কেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা দিতে প্রস্তুত ইকো টুর গাইড সদস্যবৃন্দ গাইড সাধারণত দুই প্রকার একটি নিয়ন্ত্রিত ইকো ট্যুর গাইড। অন্যটি অনিয়ন্ত্রিত। সাধারণত কক্সবাজার ভ্রমণকারীরা অনিয়ন্ত্রিতভাবে ভ্রমণ রোমান্স অনুভব করে থাকে। যেখানে পদে পদে দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকে।