
মো: সফিকুল ইসলাম নাহিদ, নবীগঞ্জ থেকে :
নবীগঞ্জে ‘অপারেশন ডেভিল হান্ট’ পরিচালনাকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলালকে (৫২) গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার মধ্যরাতে উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের কল্যানপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। কাজী হেলাল হবিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পলাতক এডভোকেট আবু জাহির সমর্থিত নেতা হিসেবে পরিচিত। ওদিকে,আবু জাহির সমর্থিত সক্রিয় নেতাকর্মীকে বিশেষ নজরদারির খবর নিশ্চিত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই চক্র স্থানীয় পুলিশ ও বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের কতিপয় নেতাকে ম্যানেজ করে দিবালোকে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। পুলিশ ও স্থানী সূত্র জানায়, গত ৪ আগস্ট হবিগঞ্জ শহরের তিনকোণা পুকুরপাড় এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগের

নেতাকর্মীরা হামলা চালায়। এডভোকেট আবু জাহিরের আহবানে নবীগঞ্জ থেকে দুটো গাড়ি নিয়ে আওয়ামিলীগ, যুবলীগের সমন্বয়ে শতাধিক লোক জেলা শহরে মিছিল নিয়ে যায়। ওইদিন আওয়ামীলীগ নেতৃত্বাধীন মিলিছ থেকে শহরে তান্ডব চালানো হয়। এ ঘটনায় গত (৮ সেপ্টেম্বর) বানিয়াচং উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়নের আলমপুর গ্রামের মৃত সজলু মিয়ার পুত্র মো. মুশাহিদ (২৬) বাদী হয়ে ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করে ও ২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে হবিগঞ্জ সদর থানায় মামলা করেন। মামলা নং-৮ । এসব ঘটনা সামনে নিয়ে শনিবার মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হবিগঞ্জ সদর ও নবীগঞ্জ থানা পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের কল্যানপুর গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে উপজেলা আওয়ামিলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী ওবায়দুল কাদের হেলালকে (৫২) গ্রেফতার করে পুলিশ । পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় সন্দিগ্ধ আসামী হিসেবে তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। গতকাল দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে। হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি আলমগীর কবির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় সন্ধিগ্ধ আসামী হিসেবে কাজী হেলালকে গ্রেফতারের খবর নিশ্চিত করেন।